ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দেশে সর্দি ও তীব্র জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ঢাকার শ্যামলীর শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগে এখন প্রতিদিন অন্তত ৫০০ রোগী আসছে, যাদের বেশির ভাগের তীব্র জ্বর, শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি বা ডায়রিয়া।
আবহাওয়ার আকস্মিক তারতম্যে শিশুরা ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকুনগুনিয়া, মৌসুমি করোনাভাইরাস, রাইনোভাইরাস ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে; কারও কারও ক্ষেত্রে তা নিউমোনিয়ায় গড়াচ্ছে, ফলে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্য একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়ায় হাসপাতালে ভিড় আরও বেড়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, তীব্র গরমের মধ্যে প্রায়ই বৃষ্টি নামছে, তাপমাত্রার এই ঘন ঘন ওঠানামায় বহু ভাইরাসের সংক্রমণ সক্রিয় হয়েছে। দেশের প্রায় সব অঞ্চলে শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়া ছড়াচ্ছে, আর আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু ডেঙ্গু ও হামেও আক্রান্ত।
ভাইরাস বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভাইরাসে তাৎক্ষণিক প্রাণহানির শঙ্কা কম হলেও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে; বয়স্করাও একই ঝুঁকিতে। হাম, ডেঙ্গু, টাইফয়েড ও নিউমোনিয়ার একসঙ্গে সংক্রমণ পরিস্থিতিকে জটিল করছে।
চিকিৎসকেরা অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলতে এবং শিশুর শরীরে অস্বাভাবিক কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছেন।
প্রতিবেদনটি দিনাজপুর টিভির স্বাস্থ্য ডেস্কের।
ছবি: Md Joni Hossain / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)