সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

শার্শা-বেনাপোলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের হাতছানি

যশোরের শার্শা-বেনাপোলের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে এখন শুধু সবুজের মায়াবী হাতছানি। বসন্তের দখিনা বাতাসে দুলছে কচি ধানের ডগা। সেই দোলায় লুকিয়ে আছে হাজারো কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে সবুজ ধানক্ষেতের সতেজ ঘ্রাণ আর ঢেউ খেলানো দৃশ্য জানান দিচ্ছে, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন কেবল সময়ের ব্যাপার। বৈশ্ব

পরিবেশ

যশোরের শার্শা-বেনাপোলের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে এখন শুধু সবুজের মায়াবী হাতছানি। বসন্তের দখিনা বাতাসে দুলছে কচি ধানের ডগা। সেই দোলায় লুকিয়ে আছে হাজারো কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে সবুজ ধানক্ষেতের সতেজ ঘ্রাণ আর ঢেউ খেলানো দৃশ্য জানান দিচ্ছে, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন কেবল সময়ের ব্যাপার। বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও নিরবচ্ছিন্ন সেচ দিতে পারায় মাঠে মাঠে বোরো ধান ক্ষেতে এমন সবুজের সমারোহ ঘটেছে।

কৃষকেরা বলছেন, এবারের বোরো মৌসুমে এখনো পর্যন্ত সেচ নিয়ে তাদের কোনো দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়নি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং চাহিদামতো ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত হওয়ায় তারা বোরো ক্ষেতে প্রয়োজনমতো সেচ দিতে পারছেন। বিদ্যুৎ এবং ডিজেলের ওপর তাদের সেচ কাজ নির্ভরশীল। বোরো ধান উৎপাদনের সাথে জড়িত শক্তিশালী এ দুটি উপকরণ নিরবচ্ছিন্ন হওয়ায় তাদের কোনো দুশ্চিন্তা হয়নি।

শার্শা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ হাজার ৪৩০ হেক্টর। যা গত মৌসুমের তুলনায় ২৪ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে ২৩ হাজার ৪১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছিল।

একদিকে চলছে বৈশ্বিক সংকট, অন্যদিকে গতবারের চেয়ে ২৪ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো ধানের আবাদ হলেও সেচ নিয়ে কৃষকের কোনো দুশ্চিন্তা নেই। এখন লোডশেডিং হলেও কয়েকদিন আগেও কৃষকেরা পর্যাপ্ত বিদ্যুৎসেবা পেয়েছেন। আবার যেখানে ডিজেলচালিত মেশিনের ওপর সেচ নির্ভর; সেখানে কৃষকেরা পর্যাপ্ত ডিজেল পেয়েছেন। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ এবং ডিজেলের সমন্বয়ে কৃষক সুবিধামতো বোরো ধানে সেচ দিতে পেরেছেন।

শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া গ্রামের কৃষক মশিউর রহমান বলেন, 'এবার ১০ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। এর মধ্যে সাত বিঘা জমি বিদ্যুৎচালিত পাম্পের ওপর এবং তিন বিঘা জমির সেচ ডিজেলচালিত মেশিনের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ এবং ডিজেল কোনোটার ঘাটতি না হওয়ায় আমার সেচ কাজে কোনো সমস্যা হয়নি। কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে পাম্পে গেলে চাহিদামতো ডিজেল পেয়েছি।'

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (শার্শা জোনাল অফিস) দেবাশীষ কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, 'সংকটের মধ্যেও এবার সরকারের আন্তরিকতায় আমরা কৃষককে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে পেরেছি। যে কারণে এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে কৃষক পর্যায়ে কোনো ধরনের অভিযোগ আসেনি। এবার সুষ্ঠুভাবে বোরো মৌসুম সম্পন্ন হয়েছে।'

শার্শা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা বলেন, 'বোরো ধানের সেচ নিয়ে আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত কোনো কৃষক অভিযোগ করেননি। চাহিদামতো বিদ্যুতের পাশাপাশি ডিজেল পাওয়ায় বোরো ধানের সেচে কৃষকদের কোনো অসুবিধা হয়নি।'

তিনি বলেন, 'গত বছরের তুলনায় ২৪ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে ২৩ হাজার ৪১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছিল। এবার বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। এর মধ্যে ব্রিধান-৫০, ব্রিধান-৬৩ এবং রেড মিনিকেট জাতের চাষ বেশি হয়েছে।'

মো. জামাল হোসেন/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()