সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ১২ কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

২৫ কোটি গাছ রোপণ: পর্যবেক্ষণ করা হবে স্যাটেলাইট-ড্রোনের মাধ্যমে

সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির রোপিত চারাগাছ ও বনসৃজন স্যাটেলাইটভিত্তিক, ডাটাবেজ ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ৩ লাখ 'সবুজ কর্মসংস্থান' সৃষ্টি এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এগ্রোটেক

সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির রোপিত চারাগাছ ও বনসৃজন স্যাটেলাইটভিত্তিক, ডাটাবেজ ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ৩ লাখ 'সবুজ কর্মসংস্থান' সৃষ্টি এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে জাতীয় পর্যায়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় স্যাটেলাইটভিত্তিক জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে রোপিত গাছের অবস্থান ও প্রবৃদ্ধি ডিজিটালভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি সারাদেশে রোপণ করা গাছের তথ্য সংরক্ষণ ও টিকে থাকার হার পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ ও ট্রি মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হবে। এজন্য আমরা একটি অ্যাপ তৈরি করবো।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দুর্গম চরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং বনাঞ্চলে বনসৃজন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে এই কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। গ্রামীণ নারী ও যুবকদের নার্সারি ব্যবসা ও বৃক্ষরোপণ-পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করা হবে এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলা হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর বন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বৃক্ষহীন এলাকা, রাস্তা, খাল-বাঁধ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে এক কোটি ৫০ লাখ স্থানোপযোগী দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জবরদখলমুক্ত বনভূমির ৪ হাজার ৮০০ হেক্টর এলাকায় নতুন বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় বন অধিদপ্তর এরই মধ্যে ৮৩ লাখ ৩২ হাজার চারা রোপণ করেছে, যা চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৭ শতাংশ।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, সরকার আগামী ৯ জুলাই বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, 'বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'।

'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধনে সম্মতি দিয়েছেন।'

তিনি বলেন, ঢাকায় পরিবেশ মেলা ও মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি দেশের সাতটি বিভাগীয় সদরে ১৫ দিনব্যাপী, ৫৬টি জেলা সদরে সাত দিনব্যাপী এবং ২৯টি উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হবে। এবার জাতীয় বৃক্ষমেলায় মোট ১২০টি স্টল থাকবে।

সরকার পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৫২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় ১১২টি অবৈধ কারখানার সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এছাড়া বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় বায়ুমান ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনএকিউএমপি) প্রণয়ন করা হয়েছে এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত অংশীদারত্বমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকার 'হোল অব দ্য গভর্নমেন্ট' অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, একাডেমিয়া, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ে অভিযোজন, প্রশমন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

'সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্তকরণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চূড়ান্ত করে সরকারের অনুমোদনক্রমে সভায় সব মন্ত্রণালয়/দপ্তর/সংস্থাকে এ মাস্টারপ্ল্যানের ওপর মতামত প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়। মতামত অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত মাস্টারপ্ল্যান অনুমোদনের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।'

তিনি বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো এবং এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে 'প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব বিষয়ক নির্দেশিকা-২০২৬'-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ভেটিং শেষে এসআরও জারির জন্য তা লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম; প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) মো. সাইমুম পারভেজ; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

কৃষি পরিসংখ্যানে ঢোকার নতুন দরজা 'অ্যাগইনসাইটস' চালু করল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিসটিকস সার্ভিস 'অ্যাগইনসাইটস' নামে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে, যাতে কৃষকরা জরিপ ও পণ্যের তথ্য সহজে খুঁজে পান।

usda১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

ব্রাজিলের Sibium Analytics কিনে আখ ও জৈব জ্বালানিতে পা রাখল xFarm

সুইজারল্যান্ডের খামার ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি কোম্পানি xFarm Technologies ব্রাজিলের Sibium Analytics অধিগ্রহণ করেছে; এর মাধ্যমে আখ ও জৈব জ্বালানি খাতে ঢুকল কোম্পানিটি, আর তার আওতা বাড়ল বিশ্বের ছয় লাখের বেশি খামারের ২ কোটি ৪০ লাখ হেক্টর জমিতে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

যন্ত্রে সরাসরি বীজ বপনে কম্বোডিয়ায় হেক্টরে ০.৯ টন বেশি ধান

হাতে ছিটিয়ে বীজ বোনার বদলে যন্ত্রে সরাসরি বপনে যাওয়া ২০০ কম্বোডীয় কৃষক হেক্টরপ্রতি ০.৯ টন বেশি ধান এবং ২০০ ডলারের বেশি বাড়তি মুনাফা পেয়েছেন, বীজের পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে।

CGIAR১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()