সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ১২ কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

মালয়েশিয়া ফেরত সারোয়ার সেলিমের মরিচ চাষে বাজিমাত

মালচিং ও ফেরোমন হলুদ ফাঁদ পদ্ধতিতে মরিচ চাষ করে সফল হয়েছেন মালয়েশিয়া ফেরত সারোয়ার সেলিম (৩৫)। তিনি ৪৮ শতক জমিতে বিজলি প্লাস-২০২০ চাষ করে সাড়ে ৩ লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করেছেন। আরও ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার মরিচ বিক্রির আশা করছেন।

শাকসবজি

মালচিং ও ফেরোমন হলুদ ফাঁদ পদ্ধতিতে মরিচ চাষ করে সফল হয়েছেন মালয়েশিয়া ফেরত সারোয়ার সেলিম (৩৫)। তিনি ৪৮ শতক জমিতে বিজলি প্লাস-২০২০ চাষ করে সাড়ে ৩ লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করেছেন। আরও ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার মরিচ বিক্রির আশা করছেন।

সারোয়ার সেলিম দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রানীপুকুর ইউনিয়নের হালজাই শালতলা গ্রামের বাসিন্দা। পাকা রাস্তার ধারে ৪৮ শতক জমিতে তিনি মরিচ চাষ করছেন। এর আগে তিনি করলা চাষেও সফলতা পেয়েছেন।

উপজেলার হালজাই ঝিনাইকুড়ি পাকা রাস্তার ধারে দেখা মিলবে মরিচ ক্ষেত। মরিচের গাছগুলোয় প্রচুর পরিমাণে ফুল ও মরিচ ধরেছে। কাছে গিয়ে দেখা যায়, মরিচ চাষের প্রচলিত পদ্ধতি বাদ দিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে মালচিং ও ফেরোমন হলুদ ফাঁদ। এ পদ্ধতিতে খুব কম সময়ে কম খরচে ফসল উৎপাদন করা যায়। এ ছাড়া রোগবালাইয়ের আক্রমণও কম।

বর্ষা মৌসুমে মালচিং ও ফেরোমন হলুদ ফাঁদ পদ্ধতিতে মরিচ চাষ করে ব্যাপক সফলতার পাশাপাশি বাজিমাত করেছেন সারোয়ার সেলিম। তার দেখাদেখি অনেকেই এ পদ্ধতিতে মরিচ চাষে ঝুঁকছেন।

জানা যায়, সারোয়ার সেলিম শুরুর দিকে ইউটিউব দেখে চাষাবাদ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেন। পরে বিরল উপজেলা কৃষি অফিসারের কাছে পরামর্শ নিয়ে প্রথমে করলা ও পরে বর্ষাকালীন মরিচ চাষ শুরু করেন। মরিচ চাষ করে এক মৌসুমে ৬ লাখ টাকা আয় করবেন বলে আশা করছেন।

সারোয়ার সেলিম বলেন, 'মালয়েশিয়া ৭ বছর থেকে গত বছরের অক্টোবরে দেশে চলে আসি। এসে মালচিং পদ্ধতিতে করলা ও মরিচ চাষ শুরু করি। করলার মাঠ শেষ করে এখন মরিচ নিয়ে ব্যস্ত আছি। মরিচ চাষে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিক্রি করবো কমপক্ষে ৬ লাখ টাকা। এরই মধ্যে সাড়ে ৩ লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করেছি।'

তিনি বলেন, 'মরিচের গাছ থাকবে আরও ২ মাস। এই দুই মাসে ৬-৮ বার মরিচ হারভেস্ট করবো। এতে আরও আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারবো। এবার সর্বোচ্চ ২২০ টাকা ও সর্বনিম্ন ১২০ টাকা কেজি দরে পাইকারের কাছে মরিচ বিক্রি করেছি।'

এ পদ্ধতিতে চাষাবাদে অনেক সুবিধা। ফসলের ক্ষেতে আর্দ্রতা সংরক্ষণে মালচিং বিশেষভাবে উপকারী। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে ফসল ক্ষেতের জলের সূর্যের তাপ ও বাতাসে দ্রুত উড়ে যায় না। ফলে জমিতে রসের ঘাটতি হয় না। সেচ লাগে অনেক কম। মালচিং ব্যবহার করলে জমিতে প্রায় ১০ থেকে ২৫ ভাগ আর্দ্রতা সংরক্ষণ করা সম্ভব। ফেরোমন হলুদ ফাঁদ মরিচ ক্ষেতের জন্য ক্ষতিকারক পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে।

সারোয়ার সেলিম বলেন, 'বাপ-দাদার আমলের সনাতন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে বর্তমানে সফলতা পাওয়া যাবে না। অবশ্যই স্মার্ট পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করতে হবে। কোন সময় কোন ফসলের দাম পাওয়া যাবে। কোন সময় কোন ফসল লাগাতে হবে, তা-ও জানতে হবে। তাহলেই সফলতা সম্ভব।'

মরিচের পাইকার খাইরুল ইসলাম বলেন, 'দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মরিচ আনি। বাহাদুর বাজারের আড়তে রেখে বিক্রি করি। চারবার সারোয়ার সেলিমের কাছ থেকে ২০২০ জাতের মরিচ কিনেছি। বর্ষা মৌসুমে সাধারণত মরিচ কম হয়। সে কারণে মরিচের দাম ভালো থাকে। সেলিমও ভালো দাম পেয়েছেন। তার কাছ থেকেই এবার ২৩০ টাকা কেজি পর্যন্ত মরিচ কিনেছি।'

বোটানিস্ট শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, 'বর্ষা মৌসুমে মরিচ চাষ সাহসিকতার কাজ। বৃষ্টিতে মরিচের গাছ মরে যায়। সে জায়গায় আধুনিক পদ্ধতিতে মরিচ করে সারোয়ার সেলিম সফলতা পেয়েছেন। সন্দেহ নেই তিনি ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।'

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম বলেন, 'সারোয়ার সেলিম মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন। গত বছর দেশে ফিরে মরিচ, করলাসহ রবিশষ্য চাষের পরামর্শ নিতে আসেন। আমরা তাকে সব ধরনের পরামর্শ দিই। চলতি বছর তিনি ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। তার দেখাদেখি অনেকে এখন মরিচ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।'

এমদাদুল হক মিলন/এসইউ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()