খুব বড় পরিসর নয়, মাত্র পনেরশ বর্গফুট জায়গা। এখানেই হরেকরকম ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে। মাত্র এক বছরেই ফসলের উৎপাদন আশাব্যঞ্জক।
দেখুন, এখানে সবটুকু জায়গা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার হচ্ছে। যুক্ত করা হয়েছে টাওয়ার পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদনও।
সব ধরনের ফসল বা শাক-সবজিতে বেশ সমৃদ্ধ। যা জৈব কৃষি চর্চায় ফলানো হচ্ছে, দাবি উদ্যোক্তার।
আয়োজনটি পরিবারের সদস্যদের কাছেও অবসর উপভোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
সবুজ এই ফসলি উদ্যোগটি এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেন পরিবারের দুই সহযোগী সদস্যও, কথা হলো তাদের সঙ্গে।
এই এলাকার অন্যসব বাড়ির ছাদগুলোতেও দৃশ্যমান হচ্ছে ছাদকৃষি। সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে এমন নিদর্শন আমাদের চোখে পড়লো।
উদ্যোক্তা দম্পত্তি বসবাস করেন ছাদকৃষির ঠিক নীচে ৬ষ্ঠ তলায়। এই অংশে ডাইনিং রুমের পাশেও দৃশ্যমান সবুজ প্রকৃতি। মাটি থেকে এতো উপরেও এমনভাবে সাজানো হয়েছে সবুজকে অনুকূলে পেতে।
প্রিয় দর্শক, শহরে গড়ে ওঠা এমন কৃষি ও সবুজের আয়োজনগুলোই মেটাচ্ছে পরিবেশ সুরক্ষার চাহিদা এবং বিষমুক্ত ফসল বা নিরাপদ খাদ্যের। আমরা চাই, এই দৃষ্টান্তটি দেখে অন্যরাও গড়ে তুলুক ছাদকৃষির এমন নজির। তাহলে অন্ততপক্ষে নগরকৃষি থেকে উৎপাদিত খাদ্য দিয়ে নিজেদের খাদ্য চাহিদার কিছুটা হয়তো পুরণ করা সম্ভব হবে।





মন্তব্য
(০)