মিষ্টিকুমড়া শরতের প্রতীক হলেও ভালো ফসল পেতে কয়েক মাসের পরিকল্পনা লাগে, আর আগামী বছরের প্রস্তুতি শুরু হয় এখনই। মিশিগান এজি টুডেকে এ কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যান ফসলের আগাছাবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক স্টিফেন মেয়ার্স (Stephen Meyers)। দেশটিতে মোট মিষ্টিকুমড়া উৎপাদনে শীর্ষে ইলিনয়, আর আস্ত মিষ্টিকুমড়া বিক্রিতে শীর্ষ পাঁচ রাজ্যের মধ্যে আছে ইন্ডিয়ানা ও মিশিগান। মার্কিন চাষিরা কিউকারবিটা গণের তিনটি ভিন্ন প্রজাতির মিষ্টিকুমড়া চাষ করেন।
মেয়ার্স বলেন, এখন জমি তৈরি হচ্ছে; অনেক জমিতে এ সময় আচ্ছাদন ফসল বোনা হয়, যা সাধারণত মে বা জুনে নষ্ট করে তার ওপরই মিষ্টিকুমড়া লাগানো হয়। এরপর আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ফসল তোলা হয়, ফলে এটি আসলে বছরের ৩৬৫ দিনের কাজ।
মে থেকে জুলাইয়ের শুরুর মধ্যে চারা লাগানোর পর তিন-চার মাস ধরে ফসল রক্ষা করতে হয়। আগাছার অনেকগুলোই ভুট্টা, সয়াবিন ও সবজিক্ষেতের আগাছার মতো: ভেলভেটলিফ, ওয়াটারহেম্প ও জায়ান্ট র্যাগউইড। চাষ ছাড়া (নো-টিল) পদ্ধতিতে মেয়ার্স-টেইল নামের আগাছা বাড়তি সমস্যা, কারণ আচ্ছাদন ফসল নষ্ট করার ধাপে প্রায়ই এটি দমন হয় না।
রোগ ও পোকা চাপ আরও বাড়ায়। মেয়ার্স জানান, পাউডারি মিলডিউর চাপ বাড়ছে এবং ব্যাকটেরিয়াল স্পট নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে; কিউকাম্বার বিটল, স্কোয়াশ বাগ ও স্কোয়াশ ভাইন বোরার ভীষণ সমস্যা করে, আর ইঁদুরজাতীয় প্রাণীও ক্ষতি করে।
চাষিদের জন্য বার্তাটি হলো, প্রথম মিষ্টিকুমড়া বাজারে ওঠার অনেক আগেই ফসলের ভাগ্য ঠিক হয়ে যায়, আর তার শুরু শরতে জমি ও আচ্ছাদন ফসল কীভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে তা থেকে।
ছবি: Dwight Burdette / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: মিশিগান এজি টুডে





মন্তব্য
(০)