সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

প্রকল্পের অভাবে স্থবির পতিত জমিতে ফসল উৎপাদন

খুলনায় কমেছে পতিত জমিতে ফসল উৎপাদন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিভিন্ন সরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, স্কুল-কলেজ ও আবাসিক এলাকায় ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়ার পর পতিত জমিতে ফসল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়লেও তা আবার কমে গেছে। পতিত এসব জমিতে ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ ফের উজ্জীবিত করার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ

পরিবেশ

খুলনায় কমেছে পতিত জমিতে ফসল উৎপাদন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিভিন্ন সরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, স্কুল-কলেজ ও আবাসিক এলাকায় ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়ার পর পতিত জমিতে ফসল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়লেও তা আবার কমে গেছে। পতিত এসব জমিতে ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ ফের উজ্জীবিত করার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনকারীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের শেষের দিকে খুলনার ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে চাষাবাদ শুরু হয়। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে এখন তা সীমিত হয়ে পড়েছে। খুলনা জেলায় ২.৫ হেক্টর পতিত জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল-ফুল-ফল আবাদ হতো। যা কমে বর্তমানে ফসল উৎপাদন হচ্ছে ১.২ হেক্টর জমিতে। জেলা এবং উপজেলার প্রায় ৪০টি প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ফসল উৎপাদনের কার্যক্রম এখন নেই বললেই চলে। অনেক প্রতিষ্ঠানের জমি ব্যবহারের প্রয়োজনিয়তা দেখা দেওয়ায় আবাদ বন্ধ রয়েছে। তবে তেরোখাদায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমিতে ফুল উৎপাদন হচ্ছে।

আরও পড়ুন-

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে খুলনা নির্বাচন কমিশন অফিস, মিতালি কলোনি, ডিআইজির বাংলো, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা টেক্সটাইল মিল, শিপইয়ার্ডসহ হাতে গোনা কিছু জায়গায় কৃষি অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ফুল ও শাকসবজি উৎপাদন চলছে। তেরোখাদা, ডুমুরিয়া এবং বটিয়াঘাটা উপজেলায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ হচ্ছে।

আরও জানা যায়, ২০২২ সালে কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিভিন্ন অফিস চত্বর এবং স্কুল কলেজের পতিত জমিতে ফসল উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তা এখন স্থবির হওয়ায় দৌলতপুর ও খালিশপুরের কয়েকটি বন্ধ জুটমিলের জমিতে ফসল উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মিল চালুর জন্য সেসব জমি আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। পরিচর্যার অভাবে কিছু স্থানে ফুলের বাগানও নষ্ট হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের খুলনা শাখার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, সরকারি পতিত জমি ব্যবহারে আমাদের সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে। পতিত জমিতে কিছু ফলানো গেলে আমাদের জন্যই উপকার। আমরা অক্সিজেন পাবো। এছাড়াও ফসল ফলানো গেলে দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবে। পাশাপাশি জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে একটু হলেও পরিবেশ রক্ষা পাবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু উদ্যোগ গ্রহণ করলেই হবে না, কৃষি অধিদপ্তরের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভূমিকাও থাকতে হবে।

তেরোখাদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিউলি মজুমদার বলেন, পতিত জমিতে ফসল কিংবা ফুল উৎপাদন করতে চাইলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করি। উপজেলায় এ পর্যন্ত দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এছাড়াও পতিত জমিতে সূর্যমুখী ফুলের বাগান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, আলাদাভাবে আমাদের এখন কোনো প্রকল্প নেই। তবে পতিত জমি ব্যবহার করে তা কাজে লাগানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি স্কুল কলেজ, বাসা বাড়ির কিংবা অফিসের পতিত জমিতে চাষাবাদ করতে চায় তাকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন সরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, রাস্তার পাশ এবং স্কুল কলেজ চত্বরের পতিত জমি থাকলে সেখানে কৃষি জাতীয় ফসলের উৎপাদনমুখী কাজে সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। কোনো জটিলতা থাকলে তা নিরসন, চাষাবাদে সহযোগিতা এবং পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়াও পতিত জমি ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()