সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

পরিযায়ী পাখির বিচরণস্থলের সরঞ্জাম হটিয়ে বালু উত্তোলন

নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদীর মধুবন এলাকায় পাখি কলোনির সরঞ্জাম সরিয়ে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।

পরিবেশ

নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদীর মধুবন এলাকায় পাখি কলোনির সরঞ্জাম সরিয়ে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম সরিয়ে দেন।

এর আগে শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতের কোনো একসময় আত্রাই নদীতে পরিযায়ী পাখির অভয়াশ্রমের বাঁশসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরিয়ে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছিলেন বালু ব্যবসায়ীরা। সরকার যেখানে পাখিদের নিরাপত্তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে সেখানে বালু ব্যবসায়ীরা পাখি কলোনি ধ্বংস করে বালু উত্তোলনে পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জানা গেছে, গত ১০/১২ বছর ধরে সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়াসহ শীত প্রধান দেশ থেকে মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদীর মধুবন, কুঞ্জবনসহ কয়েকটি এলাকায় প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সরালি, পানকৌড়ি, ডুবরিসহ বিভিন্ন প্রজাতির হাজারো পরিযায়ী পাখি বিচরণ করে। এসব পাখিদের রক্ষায় স্থানীয় প্রাণ ও প্রকৃতি সংগঠনসহ স্থানীয়রা কাজ করে আসছেন। পাখিদের নিরাপত্তার জন্য নদীর মধুবন এলাকায় বাঁশসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে পাখি কলোনি তৈরি করে।

স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে মধুবন এলাকায় সরকার ঘোষিত মৎস্য অভয়াশ্রম ও পাখি কলোনি এলাকায় বালু মহল লিজ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এই দাবির অংশ হিসেবে চলতি বছরে প্রশাসন সেখানে লিজ দেয়া বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এরপরেও বালু ব্যবসায়ীরা পাখি কলোনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল।

প্রাণ ও প্রকৃতি সংগঠনের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে গত ১৯ নভেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করে নদী থেকে ড্রেজার অপসারণ করেন। এর প্রায় দুই সপ্তাহ পর গত ২৬ ডিসেম্বর রাতের কোনো একসময় পাখির অভয়াশ্রমের বাঁশসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরিয়ে নদীর পশ্চিম অংশে ছয়টি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছিল বালু ব্যবসায়ীরা।

প্রাণ ও প্রকৃতি সংগঠনের সভাপতি কাজি নাজমুল হক বলেন, 'মধুবন এলাকায় সরকারিভাবে লিজ না দিলেও হাজী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ কয়েকজন বালু ব্যবসায়ী প্রভাব খাঁটিয়ে সেখানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল। ওই অংশটি উপজেলা মৎস্য অফিস ঘোষিত মাছের অভয়াশ্রম এবং প্রতি বছর এখানে পরিযায়ী পাখিরা আসে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করা হলে বালু ব্যবসায়ীদের জরিমানা করে প্রশাসন। তারা ক্ষিপ্ত হয়ে কলোনির বাঁশ সরিয়ে ড্রেজার বসিয়ে আবারও বালু উত্তোলন শুরু করেন।' প্রাণ ও পাখি রক্ষায় বিষয়টি শক্তভাবে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী হাজী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, 'আমরা সেখানে ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা খরচ করে বাঁশ-কাঠ দিয়ে অভয়াশ্রম করেছি। কিছু প্রতিপক্ষ বিভিন্নভাবে বালু উত্তোলনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন। আমরা চাই পাখিরা ভাল থাক। কিন্তু আমরা যে টাকা খরচ করে ইজারা নিয়েছি সেটাও দেখতে হবে। কোনো কিছুই সেখান থেকে সরানো হয়নি। আমাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সঠিক নয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা খাতুন বলেন, 'বালু মহলের মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ইজারা বহির্ভূত জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। এ অপরাধে ভ্রমমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।'

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, 'ওই স্থানে বালু মহলের যেসব সরঞ্জাম আছে সেগুলো সরানোর জন্য বলা হয়েছে। যদি তারা না শুনেন তাহলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।' আব্বাস আলী/এআরএ/এমকেএইচ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()