সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ কেন প্রয়োজন

খন্দকার বদিউজ্জামান বুলবুল

পরিবেশ

খন্দকার বদিউজ্জামান বুলবুল

গাছ পরিবেশের অকৃত্রিম বন্ধু। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অপরিহার্য উপাদান। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গাছ অনস্বীকার্য। বৃক্ষরাজি মানবকুলের পরম সাথী। একে অপরের পরিপূরক। গাছ হচ্ছে বায়ুফিল্টার, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি শব্দদূষণও কমায়। গাছ অতিরিক্ত তাপমাত্রা শোষণ করে পরিবেশ নির্মল রাখে।

সবুজ বৃক্ষ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে প্রাণীর বেঁচে থাকার মূল উপাদান অক্সিজেন সরবরাহ করে। পাখ-পাখালি ও কীটপতঙ্গসহ জীবের আশ্রয়স্থল হিসেবে গাছ ভরসার জায়গা। ধরায় বৃষ্টি বর্ষণের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠ শীতল ও বাসোপযোগী রাখতে গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। গাছপালা পরিবেশ দূষণের মাত্রা কমায়। প্রাণের অস্তিত্ব বজায় রাখতে গাছের সমারোহ প্রয়োজন। উদ্ভিদ আছে বলেই পৃথিবী আজও বসবাসের যোগ্য।

গাছ আমাদের বন্ধু হওয়া সত্ত্বেও আমরা প্রতিনিয়ত সবুজ ধ্বংস করে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করছি। দিনের পর দিন গাছ কেটে বন উজাড় করছি। ফসলি জমি কিংবা অবকাঠামো নির্মাণের অজুহাতে আমরা গাছ কেটে পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন করছি। গাছে পেরেক লাগানো বা ছিদ্র করে গাছকে অত্যাচার করছি। গাছেরও প্রাণ আছে ভুলে গেলে চলবে না।

গাছ প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। শহর অঞ্চলে গাছের আনাগোনা বাড়ানো গেলে নগরের তাপমাত্রা কমে যাবে। সহনীয় পর্যায়ে উন্নীত হবে। একটি সবজি গাছ তিন মাসের জন্য তিনজনের অক্সিজেনের চাহিদা পূরণ করতে পারে। একটি দেশের মোট ভূখণ্ডের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশে তা প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত। যথেষ্ট বনভূমি না থাকায় প্রতিনিয়ত বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে।

আরও পড়ুন

মরুকরণের সম্মুখীন হচ্ছে দেশ। ভূগর্ভের পানির স্তর নিচে চলে যাচ্ছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পানি না পাওয়ায় সেচ কাজ ও খাবার পানির সংকট দেখা দিচ্ছে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে। ক্ষতিকর ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ অনেক গুণ বেড়েছে। ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে প্রবেশ করছে। অ্যাসিড বৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলে প্রতিনিয়ত সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সবুজের ঘনত্ব কমে যাওয়ার ফলে আবহাওয়ার আচরণও বদলেছে। গরমের সময় যেমন অতিরিক্ত গরম; শীতকালেও কখনো কখনো অতিরিক্ত ঠান্ডা। আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় কৃষিকাজ চ্যালেঞ্জিং হয়েছে। পরিবেশ-প্রকৃতি বাঁচাতে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। জগতে সবুজের সমারোহ ঘটাতে হলে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

বৃক্ষ মেলার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণেও উৎসব হতে পারে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ উৎসবের আয়োজনে ভূমিকা রাখতে পারে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও জনসংখ্যার চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি ও বেসরকারি কিংবা ব্যক্তিগতভাবে সবার উচিত বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসা। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তুলতে গাছের বিকল্প নেই।

লেখক: শিক্ষার্থী, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()