সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

দড়ি, জুতার কভার আর মোছার প্যাড: শূকরের খামারে রোগ শনাক্তে নতুন নমুনা কৌশল

কানাডার ম্যানিটোবার পশুচিকিৎসক ব্লেইন টালি জানিয়েছেন, চিবানোর দড়ি, জুতার কভার ও প্রক্রিয়াজাত তরলের মতো সস্তা কৌশলে পিসিআর ও অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে একসঙ্গে শত শত শূকরের পিইডি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও পিআরআরএস শনাক্ত করা যায়।

দড়ি, জুতার কভার আর মোছার প্যাড: শূকরের খামারে রোগ শনাক্তে নতুন নমুনা কৌশল
লাইভস্টক

শূকরের খামারে পুরো পালের রোগ পরীক্ষায় পশুচিকিৎসকেরা এখন সুতির দড়ি, একবার ব্যবহারের জুতার কভার আর মোছার প্যাডের মতো সাধারণ জিনিস ব্যবহার করছেন। কানাডার ম্যানিটোবার স্টাইনবাখে সোয়াইন হেলথ প্রফেশনালস লিমিটেডের মালিক ও পশুচিকিৎসক ব্লেইন টালি (Blaine Tully) ম্যানিটোবা কো-অপারেটরে এক লেখায় শূকরের রোগ নজরদারির এসব নতুন কৌশল তুলে ধরেছেন।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, পরীক্ষার উদ্দেশ্য নানা রকম: একটি পাল বা উৎপাদনের কোনো ধাপ নির্দিষ্ট রোগমুক্ত কি না তা নিশ্চিত করা, অসুখের কারণ ও সংক্রমণ কবে শুরু হয়েছে তা বের করা, আর মা শূকরের খামার থেকে দূরের নার্সারি ও মোটাতাজাকরণ খামারে বাচ্চা সরানোর সময় রোগ কোথা থেকে কোথায় ছড়াল তা খোঁজা। কোনো খামারে পোরসাইন এপিডেমিক ডায়রিয়া (পিইডি) দেখা দিলে জানতে হয় সংক্রমণ কীভাবে এল এবং পরের খামারগুলোতে ছড়াল কি না; আর পিআরআরএস বা মাইকোপ্লাজমা নির্মূলে নামা খামারকে ধাপে ধাপে দেখাতে হয় জীবাণু স্থিতিশীল, কমছে, তারপর নির্মূল।

পরীক্ষা মূলত দুই ধরনের। পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) পরীক্ষা জীবাণুর জিনগত উপাদান খুঁজে পায় এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল, তবে জীবাণুটি এখনো জীবিত ও সংক্রামক কি না তা বলতে পারে না। এলাইজার মতো অ্যান্টিবডি পরীক্ষা জানায় আগে সংক্রমণ হয়েছিল কি না; শরীরে শনাক্তযোগ্য মাত্রায় অ্যান্টিবডি তৈরি হতে দুই-তিন সপ্তাহ বা তার বেশি লাগে, তাই অ্যান্টিবডি পাওয়া শূকরের সংক্রমণ অন্তত ততদিন আগের। পশুচিকিৎসকেরা প্রায়ই দুটি পরীক্ষা একসঙ্গে করেন।

শূকরের কৌতূহলই অনেক কাজ সহজ করে দেয়। খোঁয়াড়ে একটি দড়ি ঝুলিয়ে রাখলে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে দলের বড় অংশ সেটি চিবায়, আর তিন-চারটি দড়িতে শত শত শূকরের লালার নমুনা মেলে। এই লালায় খোঁয়াড়ের পরিবেশের চিহ্নও থাকে, তাই পিসিআরের জন্য এটি ভালো নমুনা, কিছু ভাইরাসের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি পরীক্ষাও করা যায়। পিইডির জন্য বুটের ওপর একবার ব্যবহারের কভার পরে খোঁয়াড়গুলোতে হাঁটলেই চলে; কভার ধোয়া পানি পরীক্ষা করলে যত খোঁয়াড়ে হাঁটা হয়েছে সবগুলোর পরীক্ষা হয়ে যায়।

ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য মা শূকরের ওলানে ভেজা সুইফার প্যাড মুছে নেওয়া হয়, কারণ দুধ খাওয়ার সময় বাচ্চারা সেখানে নাকের নিঃসরণ রেখে যায়; সেই তরল পিসিআরে পরীক্ষা করা যায়, প্রসবের খাঁচায় দড়ি ঝোলানোও কাজে দেয়। বাচ্চা জন্ম থেকেই পিআরআরএসে আক্রান্ত কি না দেখতে প্রতিটির রক্ত না নিয়ে 'প্রসেসিং ফ্লুইড' পরীক্ষা করা হয়: এক থেকে চার দিন বয়সে খোজা করার সময় অপসারিত অণ্ডকোষ ব্যাগে রেখে রাতভর ফ্রিজে রাখলে তলায় যে রক্ত ও তরল জমে, সেটিই নমুনা।

টালি লিখেছেন, শূকরের খামারে রোগ নজরদারির নমুনা ও কৌশলের তালিকা দীর্ঘ এবং পশুচিকিৎসকেরা নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করায় তা ক্রমেই বদলাচ্ছে।

ছবি: SteveStrummer / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

সূত্র: Manitoba Co-operator

Manitoba Co-operatorসূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

দক্ষিণ আফ্রিকায় ৬৪ লাখ র‍্যান্ডে বিক্রি হলো আনকোলে বকনা, স্ত্রী পশুর দামে রেকর্ড

লিম্পোপোর বেলা-বেলার কাছে এক নিলামে গর্ভবতী বকনা কুইন আরুশা রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে, আর একটি ষাঁড়ের লিঙ্গ নির্ধারিত বীজের দুটি স্ট্র বিক্রি হয়েছে আড়াই লাখ র‍্যান্ড করে।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

ডিমের কুসুম কি হৃদ্‌রোগ বাড়ায়? পুষ্টিবিদ বললেন দিনে এক-দুটি পুরো ডিম চলে

পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শক ডা. অরুণ কুমার বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, কুসুমে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকলেও রক্তের কোলেস্টেরলের বেশির ভাগ তৈরি হয় যকৃতে; মুরগিকে হরমোন দেওয়ার ধারণাও ভুল, তবে কাঁচা ডিম নয়।

বিবিসি বাংলা৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

প্রাণীর চোখে উন্নয়ন কেমন দেখায়: বিশ্ব প্রাণী দিবসে আশীষ দত্তের লেখা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ আশীষ দত্ত লিখেছেন, ২০১৫ সালের রেড লিস্টে বাংলাদেশের ১,৬১৯ প্রজাতির ৩৯০টি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে, ৩১টি দেশ থেকে বিলুপ্ত; সড়ক, বাঁধ ও বসতির পরিকল্পনায় প্রাণীর দৃষ্টিকোণ বিবেচনার আহ্বান।

ঢাকা পোস্ট৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)