গ্রাফিক ডিজাইনে অনার্স, তারপর গার্মেন্টসে চাকরি। শরীর খারাপ হলো, চাকরি ছাড়লেন। শাইখ সেরাজের অনুষ্ঠান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নামলেন কৃষিতে। বাবা-মার অমতে শুরু করলেন লেবু বাগান, তারপর পেয়ারা বাগান। ময়মনসিংহের ভালুকার এইচএম ফরোয়ার্দী পলাশের এক একরের বারোমাসি পেয়ারা বাগানে এখন ১০৫০টি গাছ। প্রতি দুই মাসে হারভেস্ট, বছরে সম্ভাব্য আয় ৪০ লাখ টাকা। সবচেয়ে চমকের বিষয় হলো এই বাগান এখন GAP সার্টিফাইড হওয়ার পথে। আন্তর্জাতিক মানের ২৪৬টি কম্পোনেন্ট মেনে সুপারশপে পাঠানোর স্বপ্ন দেখছেন পলাশ।
0:00 - ভূমিকা: পেয়ারার ইতিহাস ও কাজী পেয়ারার গল্প 0:57 - বাংলাদেশে পেয়ারা উৎপাদনের বৈশ্বিক অবস্থান 1:44 - পলাশের পরিচয়: গ্রাফিক ডিজাইন থেকে কৃষিতে 2:20 - লেবু ও পেয়ারা বাগানের শুরুর গল্প 3:06 - ভালুকার বারোমাসি পেয়ারা বাগান 3:48 - অনুষ্ঠান দেখে অনুপ্রাণিত হওয়া 4:27 - পলাশের অনুপ্রেরণায় অন্যরাও কৃষিতে 5:10 - প্রুনিং পদ্ধতিতে বেশি উৎপাদনের কৌশল 5:48 - GAP সার্টিফিকেশন ও কৃষি বিভাগের সহযোগিতা 7:23 - বাংলাদেশে GAP পেয়ারার আলাদা বাজারমূল্যের সম্ভাবনা 7:58 - বাগানের আয়ের হিসাব: বছরে ৪০ লাখ টাকা 8:39 - বাজারজাতকরণ ও কোল্ড স্টোরেজের সমস্যা 9:56 - পেয়ারা প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানির সম্ভাবনা 10:35 - বরিশালের ভাসমান পেয়ারার বাজার 11:33 - ২০০ বছরের পুরনো বরিশালের পেয়ারা বাগান 11:50 - চট্টগ্রামের কাঞ্চননগরের বিখ্যাত পেয়ারা 12:18 - উপসংহার: ফল সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাব





মন্তব্য
(০)