সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

পাবনায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার মধু আহরণের আশা

তেলের চাহিদা ও দাম বাড়ায় পাবনায় প্রতি বছরই বাড়ছে সরিষা চাষ। সরিষা একদিকে যেমন তেলের চাহিদা মেটায়; তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মধু আহরণে। জেলার ৯টি উপজেলায় সরিষার জমির পাশে মৌবক্স স্থাপন করে ১১০ মেট্রিক টন মধু আহরণের প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের। যার বাজারদর প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

পরিবেশ

তেলের চাহিদা ও দাম বাড়ায় পাবনায় প্রতি বছরই বাড়ছে সরিষা চাষ। সরিষা একদিকে যেমন তেলের চাহিদা মেটায়; তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মধু আহরণে। জেলার ৯টি উপজেলায় সরিষার জমির পাশে মৌবক্স স্থাপন করে ১১০ মেট্রিক টন মধু আহরণের প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের। যার বাজারদর প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, ক্রমেই আবাদি জমি কমে যাওয়ায় গত দু'বছরে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও প্রতি বছরই বাড়ছে চাষ। গত বছর জেলায় ৪৪ হাজার ৮৯০ হেক্টর ও এবার ৪৫ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। এসব জমির পাশেই সদর উপজেলায় ৭৮৮, আটঘরিয়ায় ২০০, ঈশ্বরদীতে ৪৫০, চাটমোহরে ৩ হাজার ২৫০, ভাঙ্গুড়ায় ৬ হাজার ১২০, ফরিদপুরে ১ হাজার ৭৫, বেড়ায় ২০০ ও সাঁথিয়ায় ১০০টিসহ মোট ১২ হাজার ১৮৩টি মৌবক্স স্থাপন করে আহরণ করা হচ্ছে মধু। গত বছর মৌবক্সের সংখ্যা ছিল ৮ হাজারের মতো। এ বছর ২২৬ জন মৌচাষি মধু চাষের সঙ্গে জড়িত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জমির পাশে মৌবক্স বসিয়ে কেবল মধু সংগ্রহের বিষয়টিই মুখ্য নয়। এর মধ্য দিয়ে পরাগায়ন বৃদ্ধিতে বাড়ে সরিষার ফলন। এতে লাভবান হচ্ছেন সরিষা চাষিরা। বাজারে সরিষা ফুলের খাঁটি মধুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় ভালো দামে লাভবান হচ্ছেন মধু চাষিরাও। অনেকেই খাঁটি মধুর আশায় জমির পাশে সারি সারি বসানো মৌবক্স থেকেই মধু সংগ্রহ করছেন। এ মধু বিক্রি করে প্রতি কেজি ৪০০ টাকা গড় দর হিসেবে প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা আয় হবে। তবে ৫০০ টাকা কেজি দরেও মধু বিক্রি হয়।

মৌচাষিরা জানান, প্রতিটি বক্সে ১ লাখ কর্মী মৌমাছি ও একটি রানি মৌমাছি থাাকে। এসব মৌমাছি দিগন্ত জোড়া হলুদ সরিষা ফুলে উড়ে উড়ে মধু সংগ্রহ করে। আট থেকে দশ দিন পর পর প্রতিটি বক্স থেকে ২৫ থেকে ৩০ কেজি মধু মেলে। ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ ইউনিয়নের বড়পুকুরিয়া গ্রামের মৌচাষি সোহাগ ও রমজান বলেন, 'বছরের ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত সরিষা, লিচু ও তিলসহ বিভিন্ন জমিতে বক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া বাকি সময় মৌমাছিদের পালন করতে হয়। এ পর্যন্ত ৮ মণ, ১৫ মণ করে কয়েক দফায় বক্স থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। এ দফায় ২০ মণের মতো পাওয়া যাবে বলে আশা রাখছি।'

তারা বলেন, 'পুরো মৌসুমের কথা এখনো বলা যাচ্ছে না। প্রতি কেজি মধু ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে বিক্রি হয়। অনেকে জমিতে এসে নিয়ে যাচ্ছেন, আবার ড্রামে করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোও হয়।'

একই উপজেলার বেতুয়ান গ্রামের মৌচাষি শফি বলেন, 'এবার দেড়শটির মতো মৌবক্স স্থাপন করেছি। দুজন কর্মী নিয়ে মধু আহরণ করছি। ভালো দাম ও চাহিদা থাকায় ভালোই আয় হচ্ছে। তবে মাঝের তীব্র শীতে মধু পাওয়া যায়নি। এত শীতে মৌমাছিরা বক্স থেকে বের হয় না।'

সদর উপজেলার গয়েশপুর, দোগাছি ও ভাঁড়ারাসহ বিভিন্ন জায়গায় মৌবক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে। মধু চাষি হানিফ বলেন, 'মৌচাক কাটার সময় উপস্থিত থেকে সংগ্রহ করা ছাড়া খাঁটি মধু পায় না ভোক্তারা। এ ক্ষেত্রে জমিতে এসে নিজে বক্স থেকে বের করে মধু নিচ্ছেন তারা। তাই তুলনামূলক কদর রয়েছে এই মধুর। শুরুতে সরিষা আবাদকারীরা না বুঝতে পেরে মৌবক্স বসাতে দিতে না চাইলেও এখন তারা নিজেদের ফলন বাড়ার বিষয়টি বোঝেন। ফলে জমির পাশে মৌবক্স বসাতে এখন তারাও আগ্রহী।'

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, 'চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও সদর উপজেলায় সরিষার আবাদ বেশি। ফলে এসব উপজেলার বিস্তীর্ণ সরিষার জমির পাশে মৌবক্সে মধু আহরণ বেশি হয়। এ পর্যন্ত জেলায় ৭৫ হাজার ৩০ কেজির মতো মধু আহরণ হয়েছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরিষার জমিতে মধু সংগ্রহ চলবে। আমরা মৌচাষিদের মৌবক্স দিয়ে ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে পরামর্শসহ নানাভাবে সহযোগিতা দিচ্ছি।'

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()