সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

অতিথি পাখিতে মুখরিত আত্রাই নদ

হাজারো পাখির কল কাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদ। পাখির কিচির মিচির শব্দে ঘুম ভাঙে নদীর দু'পাড়ের মানুষের। আর অতিথি পাখিদের 'নিরাপদ আবাস' গড়তে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পাখির অবাধ বিচরণ দেখে ২০১০ সালে পাখিপ্রেমী কাজী নাজমুল, আইনুল ইসলাম, মোকলেসুর রহমান,

পরিবেশ

হাজারো পাখির কল কাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদ। পাখির কিচির মিচির শব্দে ঘুম ভাঙে নদীর দু'পাড়ের মানুষের। আর অতিথি পাখিদের 'নিরাপদ আবাস' গড়তে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পাখির অবাধ বিচরণ দেখে ২০১০ সালে পাখিপ্রেমী কাজী নাজমুল, আইনুল ইসলাম, মোকলেসুর রহমান, একরামুল হোসেনসহ কয়েকজন যুবক মিলে অভয়াশ্রম গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সাত বছর যাবৎ আত্রাই নদীতে অতিথি পাখির আগমণ ঘটছে। নিরাপদ মনে করে পাখিরা এ নদীতে আশ্রয় নিয়েছে। শীতের শুরুতে পাখিদের আগমন শুরু হয়। এ সময় নদীতে পানির পরিমাণও কম থাকে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে আবার পাখিগুলো চলে যায়। এ নদীতে বছরে প্রায় ৭-৮ মাস পাখিগুলো থাকে।

আত্রাই নদীতে পাখিদের আবাস হলেও রাত হলেই তারা পাশের বিল মোহাম্মদপুর, রামচন্দ্রপুর, মধুবনসহ কয়েকটি স্থানে চলে যায়। আবার ভোরের দিকে ফিরে আসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরে মধুবন-কুঞ্জবন গ্রাম। গ্রামে প্রবেশের রাস্তার দু'ধারে ফলজ ও বনজ গাছ। পাখি শিকার রোধসহ বণ্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতামূলক বিভিন্ন সাইনবোর্ড গাছে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়া পাখিদের কেউ উত্ত্যক্ত, বিরক্ত বা কোনো ধরনের শব্দ করা যাবে না বলেও সচেতন করা হয়েছে। পাখিদের এ নিরাপদ আবাসের নাম দেয়া হয়েছে 'প্রাণ ও প্রকৃতি'।

মৌসুমি পাখিদের আরামে বসে থাকার জন্য আত্রাই নদীর পানিতে বেশ কিছু বাঁশ বেঁধে দিয়ে ঘের তৈরি করে দেয়া হয়েছে। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে এসে পানিতে পড়ছে। কেউ গা ভাসিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ গা পরিষ্কার করছে। আবার কেউ বাঁশের উপর বসে আরাম করছে। পাখিদের কিচির মিচির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠছে নদীর দু'পাড়। বালিহাঁস, সরালি হাঁস, পানকৌড়ি, রাতচোরা, বক, মাছরাঙ্গাসহ বিভিন্ন প্রজাতির হাজারো পাখির বিচরণ এখানে। মনোরম এ পরিবেশ যে কাউকে মুগ্ধ করবে।

পাখিপ্রেমী কাজী নাজমুল বলেন, উপজেলাতে 'প্রাণ ও প্রকৃতি' নামে যে সংগঠন আছে সেখানে প্রায় শতাধিক সদস্য আছে। আমরা নিজেদের উদ্যোগে পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় গড়ার চেষ্টা করছি। প্রতিকূল সমস্যার মধ্য দিয়ে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রতি মৌসুমে প্রায় ৩-৪ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির পাখি আসে আত্রাই নদীতে। পাখিদের কিছু অভয়াশ্রম আছে যেখানে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় পাখিরা ভয় পেয়ে চলে যায়। এসব লোকদের অনেকবার বলার পর কিছুটা সচেতন হয়েছে। এ উপজেলাকে পাখিদের অবাধ বিচরণ 'নিরাপদ আবাস' হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।

মধুবন গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পাখির কিচির মিচির শব্দে খুব সকালে আমাদের ঘুম ভাঙে। পাখি যেন ভয় না পায় এজন্য আমরাও কোনো শব্দ করি না। শুধু নদীতেই নয়, গ্রামের গাছেও পাখিদের অবাধ বিচরণ।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোবারক হোসেন পারভেজ বলেন, পাখির অভয়াশ্রম গড়ে তুলতে স্থানীয় পাখিপ্রেমী যুবকদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া অবাধে কেউ যেন পাখি শিকার করতে না পারে সে বিষয়টিও দেখা হবে। পাখির অভয়াশ্রম গড়ে ওঠায় এ উপজেলাটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

আব্বাস আলী/এফএ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()