সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

অপরিষ্কার জাবির লেক, আবাস সংকটে পরিযায়ী পাখি

শীতের বার্তা নিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আসতে শুরু করে পরিযায়ী পাখি। তবে আবাসন সংকটে সুদূর সাইবেরিয়ান অঞ্চল থেকে আসা ভিনদেশি এসব পাখির সংখ্যা প্রতিবারের তুলনায় অনেক কম।

পরিবেশ

শীতের বার্তা নিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আসতে শুরু করে পরিযায়ী পাখি। তবে আবাসন সংকটে সুদূর সাইবেরিয়ান অঞ্চল থেকে আসা ভিনদেশি এসব পাখির সংখ্যা প্রতিবারের তুলনায় অনেক কম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিবছর পরিযায়ী পাখিদের থাকার জন্য উপযোগী করে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলো প্রস্তুত করা হয়। যেন পাখি অবাধে চলাচল ও খাবার সংগ্রহ করতে পারে। সাধারণত আগস্টের শেষ থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই লেকগুলো পরিষ্কার করা হয়ে থাকে।

এছাড়া লেকের পাশে দর্শনার্থীদের জন্য নির্দেশনা সম্বলিত বিলবোর্ড টাঙানো হয়। দর্শনার্থীরা যেন অতিথি পাখিকে বিরক্ত করতে না পারে, এজন্য লেকের পাশে দেওয়া হয় কাঁটাতারের বেড়া।

এ বছর এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে পরিযায়ী পাখির উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা হয়নি। ফলে আবাসন সংকটে মাত্র দুটি লেকে অল্প কিছু পাখি দেখা যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এখানে ছোট-বড় ডজন খানেক লেক আছে। এর মধ্যে বিগত বছরগুলোতে ছয়টি লেকে পরিযায়ী পাখি দেখা যেতো। এগুলো হলো, ওয়াইল্ড লাইফ রেসকিউ সেন্টারের অভ্যন্তরের লেক, সুইমিংপুল সংলগ্ন লেক, পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের পেছনের লেক, নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের পেছনের লেক, বোটানিক্যাল গার্ডেনের ভেতরের লেক ও পরিবহন চত্বরের পেছনের লেক।

তবে এসব লেকের কোনোটি ভরাট হয়ে ছোট হয়ে যাচ্ছে। আবার কোনটি সংরক্ষণের অভাবে কচুরিপানা ও আগাছায় ভরে গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, দৃষ্টিগোচর জায়গা ছাড়া বাকি লেকের আগাছা পরিষ্কার করা হয়নি। এবার শুধু বিশমাইল ও পরিবহন চত্বরের পাশের লেক পরিষ্কার করা হয়েছে। আবার এ লেকের পাশ দিয়ে রাস্তা হওয়ার কারণে অল্পসংখ্যক পাখি এখানে বিচরণ করছে। পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনের লেক ভরাট হয়ে ছোট হয়ে গেছে। এ লেকের প্রায় চার পাশেই পাড় থেকে গভীর পর্যন্ত ক্রমেই ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়া বাকি জায়গা আগাছায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে এখানে এবার কোনো পাখিই আসেনি।

সুইমিংপুল সংলগ্ন লেক কচুরিপানা ও আগাছায় ভরে গেছে। যে কারণে ওই লেকটিতে অতিথি পাখির বিচরণের পরিবেশ নেই।

এছাড়া আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের সামনে ও নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের পেছনের লেক অপরিষ্কার ও লোকজনের অধিক সমাগম হওয়ায় এই লেকেও পাখি নামেনি।

বোটানিক্যাল গার্ডেনের অভ্যন্তরের লেকের চার ভাগের তিন ভাগেই কচুরিপানা দখল করে নিয়েছে। বাকি একভাগে অল্পসংখ্যক পাখি বিচরণ করতে দেখা যায়। এছাড়া পাখির বিচরণের লেকগুলোতে ভেলায় করে গোপনে মাছ শিকার করতেও দেখা যায়।

অতিথি পাখির বিচরণস্থল কমে যাওয়ার পেছনে সংরক্ষণের উদ্যোগের অভাবকে দায়ী করেছেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে পরিযায়ী পাখি আসা শুরু করে। নভেম্বরের শেষের দিক থেকে পাখির পরিমাণ বাড়তে থাকে। ডিসেম্বরের শেষে গিয়ে পিক টাইমটা। এবারও ঠিক সময়ে পাখি আসা শুরু করেছে। এবার যেহেতু ভর্তি পরীক্ষা পড়েছে নভেম্বরে। তাই এ সময়টায় লেকে মানুষের ভিড় বেশি ছিল। ফলে খুব বেশি পাখি বসছে না। এক-দুসপ্তাহ পর হয়তো পাখির সংখ্যা বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, বড় যে লেকটা আছে, সেখানে এখনো কচুরিপানা। এস্টেট শাখার সেটা পরিষ্কার করা দরকার ছিল। কেন না ওপেন ওয়াটারের পরিমাণ বেশি থাকলে পাখি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (এস্টেট) আ. রহমান বলেন, সময়ের সংক্ষিপ্ততায় আমরা নতুন কলা ভবনের লেকে পরিষ্কার কাজে হাত দিতে পারিনি। করোনার সময় তো আমরা বাইরের লোক আনতেই পারিনি, ফলে বাকি লেকগুলো পরিষ্কার সম্ভব হয়নি। কিছু লেকে মাটি জমে ভরাট হয়ে গেছে। ওখানে ভাসমান পানি নেই। কচুরিপানা মাটির সঙ্গে লেগে গেছে। লেক সংস্কার করা ছাড়া এগুলো ঠিক করার উপায় নেই।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম পরিযায়ী পাখির আনাগোনা দেখা যায় ১৯৮৬ সালে। সে বছর শীতে পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনের লেকে পাখিরা এসে আশ্রয় নেয়। এরপর থেকে একটা সময় পর্যন্ত ক্রমেই ক্যাম্পাসে আসা পরিযায়ী পাখির সংখ্যা বাড়ে। তেমনি বাড়ে বিচরণক্ষেত্রও। প্রথমে একটি লেক থেকে এক পর্যায়ে চারটি লেকে অতিথি পাখি বিচরণ বেড়ে যায়। মূলত যেসব লেকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিদ্যমান ও খাবারের প্রাচুর্য আছে সেসব লেকেই অতিথি পাখি থাকে। যা বর্তমানে সংকটাপন্ন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()