সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ১৪ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৪ মিমি

২২ দিনের ইলিশ নিষেধাজ্ঞা বাধা নয়, ভবিষ্যতের বিনিয়োগ: প্রদীপ রায় জিতুর মত

সাংবাদিক প্রদীপ রায় জিতু লিখেছেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সমাজের অংশগ্রহণের পরীক্ষা; তবে জেলেদের প্রকৃত সহায়তা আর নদী রক্ষা ছাড়া সাফল্য টিকবে না।

২২ দিনের ইলিশ নিষেধাজ্ঞা বাধা নয়, ভবিষ্যতের বিনিয়োগ: প্রদীপ রায় জিতুর মত
মতামত

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবরের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞাকে বাধা হিসেবে না দেখে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক প্রদীপ রায় জিতু। জাগো নিউজে প্রকাশিত এক মতামত লেখায় তিনি বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রিয় না হলেও এর সুফল ভোগ করবে আগামী দিনের বাংলাদেশ। লেখার মতামত লেখকের নিজের।

লেখায় তিনি ইলিশের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সংখ্যা দিয়ে: দেশের মোট মাছ উৎপাদনের প্রায় ১১-১২ শতাংশ আসে এই একটি প্রজাতি থেকে; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৫ দশমিক ২৯ লাখ মেট্রিক টন, যার মূল্য প্রায় ২০ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি লিখেছেন, প্রায় ৭ লাখ মানুষ সরাসরি ইলিশ আহরণে যুক্ত এবং প্রায় ২৫ লাখ মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইলিশনির্ভর।

জাটকা সংরক্ষণ, অভয়াশ্রম, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ আর জেলে সহায়তা মিলিয়ে বাংলাদেশ ইলিশ ব্যবস্থাপনার সফল মডেল হয়েছে বলে মনে করেন লেখক। তবে তাঁর সতর্কবার্তা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন আগের বছরের চেয়ে কমেছে, আর বিশেষজ্ঞরা এর জন্য নদীদূষণ, নাব্য সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অতিরিক্ত আহরণ ও আবাসস্থলের পরিবর্তনকে দায়ী করছেন।

লেখকের মতে, মা ইলিশ সংরক্ষণ শুধু আইন প্রয়োগের বিষয় নয়, সামাজিক অংশগ্রহণেরও পরীক্ষা। ভোক্তা নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ না কিনলে, ব্যবসায়ী অবৈধ মাছ বাজারে না তুললে আর এলাকার মানুষ আইন ভাঙার বিরুদ্ধে দাঁড়ালে অভিযান আরও কার্যকর হবে, কারণ চাহিদা থাকলে অবৈধ জোগানের পথও খোলা থাকে।

তবে সংযমের আহ্বান তখনই গ্রহণযোগ্য, যখন রাষ্ট্রও দায়িত্ব পালন করে, লিখেছেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলে পরিবারের আয় প্রায় বন্ধ হয়ে যায়; অথচ মাঠপর্যায়ে অনেক প্রকৃত জেলে তালিকায় ওঠেন না, কোথাও সহায়তা বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। তাই স্বচ্ছতা, জবাবদিহি আর প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে সহায়তা পৌঁছানো জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

লেখক আরও বলেছেন, ইলিশ বাঁচাতে শুধু মাছ ধরা বন্ধ করলেই হবে না, তার বাস্তুতন্ত্রও রক্ষা করতে হবে। নদী দখল, দূষণ, শিল্পবর্জ্য, পলি জমে ভরাট আর নাব্য হারানো ইলিশের স্বাভাবিক জীবনচক্র ব্যাহত করছে। জিআই পণ্য ইলিশের সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়ে তিনি লিখেছেন, আজকের সংযমই আগামী দিনের সমৃদ্ধি।

ছবি: Biswarup Ganguly / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

অক্টোবরের শুরুতেই চিলিকায় পরিযায়ী পাখি, কলামিস্ট দেখছেন জলবায়ুর সংকেত

ডাউন টু আর্থে রঞ্জন পান্ডা লিখেছেন, ওডিশার চিলিকা হ্রদে শীতের পাখির আগাম আগমনকে উষ্ণ ও অনিশ্চিত হয়ে ওঠা হ্রদ ও আর্কটিকের পরিবর্তনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে, আর জেলেদের পর্যবেক্ষণে যুক্ত করতে হবে।

ডাউন টু আর্থ৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মাছের ভান্ডার নিয়েও বাইরে থেকে মাছ কেনে উত্তর-পূর্ব ভারত, কলামে কোল্ড চেইনের দাবি

কৃষি জাগরণে এক কলামে তরুণ শ্রীধর লিখেছেন, জেলা পর্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ, ঋণ, খাঁচায় মাছ চাষ আর বাজার সংযোগ গড়লে উত্তর-পূর্ব ভারত নিজের মাছের চাহিদা মেটাতে ও শোভাবর্ধক মাছ রপ্তানি করতে পারে।

কৃষি জাগরণ৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

অস্ট্রেলিয়ায় ডেঙ্গুর টিকা মিলছে, বাংলাদেশে কবে: কাউসার খানের মত

প্রথম আলোর সিডনি প্রতিনিধি কাউসার খান লিখেছেন, যে দেশে স্থানীয় ডেঙ্গু নেই সেখানে কিউডেঙ্গা টিকা পাওয়া যাচ্ছে, অথচ শিশুরা মারা যাচ্ছে বাংলাদেশে; দ্রুত মূল্যায়ন ও সীমিত টিকাদানের প্রস্তাব তাঁর।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)