সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

নগর জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনের উপায়

বর্তমান বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিণতিতে শহরগুলো এক ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সংকটের মুখোমুখি। বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫৮% মানুষ শহরে বাস করে। এই হার ২০৫০ সালের মধ্যে ৭০%-এ উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অথচ এই শহরগুলোই ব্যবহার করে বৈশ্বিক শক্তির ৭৫% এবং

পরিবেশ

বর্তমান বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিণতিতে শহরগুলো এক ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সংকটের মুখোমুখি। বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫৮% মানুষ শহরে বাস করে। এই হার ২০৫০ সালের মধ্যে ৭০%-এ উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অথচ এই শহরগুলোই ব্যবহার করে বৈশ্বিক শক্তির ৭৫% এবং উৎপন্ন করে কার্বন নিঃসরণের ৭০% এরও বেশি।

শহরগুলো একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। যেমন- তাপপ্রবাহ, বায়ুদূষণ, অতিবৃষ্টি ও বন্যা। ২০২৪ সাল ইতিহাসে অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে শহরগুলোর জীবনযাপন ও বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে। ঢাকার মতো মেগাসিটিগুলো ঘনবসতি, বায়ুদূষণ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বহুমাত্রিক সংকটে পড়েছে। যা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আরও অনিরাপদ করে তুলছে।

সমাধানপন্থার নতুন দিগন্তনগর জলবায়ু সংকট ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় এখন সময় এসেছে। আধুনিক গবেষণা ও প্রযুক্তির সহযোগিতায় বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করা দরকার। অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারণ ও সুশাসনের মাধ্যমে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিক্ষা সম্প্রসারণ করা উচিত। কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন উদ্ভাবন ও উদ্যোগে জোর দেওয়া যায়।

ঝুঁকি প্রশমনের ছয়টি মূল থিম > শহুরে তাপমাত্রা ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ > নবায়নযোগ্য শক্তির রূপান্তর> সবুজ ও সহনশীল অবকাঠামো গঠন

> ভূ-স্থানভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার> জলবায়ু ন্যায় ও সামাজিক সাম্য > জরুরি প্রতিক্রিয়া ও পূর্বপ্রস্তুতি।

স্থানীয় উদ্ভাবন, বৈশ্বিক প্রয়োগজলবায়ু ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরগুলো এখন পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু। যদিও শহরগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, কিন্তু একইসঙ্গে তারা উদ্ভাবন ও অভিযোজনের কেন্দ্রস্থল। তাই বিজ্ঞান ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতার মাধ্যমে অবশ্যই গ্রহণযোগ্য ও টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। ঢাকার নগরজীবনে জলবায়ুজনিত সংকটের গভীরতা প্রতিদিনই বাড়ছে।

এ প্রেক্ষাপটে, অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে 'নগর জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন কেন্দ্র', যার উদ্দেশ্য গবেষণা, উদ্ভাবন ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শহরের জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করা। সবচেয়ে কার্যকর সমাধানগুলো প্রায়ই আসে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে। তাই আমাদের প্রয়োজন, অভিযোজিত, বাস্তবসম্মত কৌশল, আন্তঃসংস্থাপন নেতৃত্ব এবং কমিউনিটি-নির্ভর নকশা ও পরিকল্পনা।

আজকের জটিল নগর-পরিস্থিতিতে জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা কোনো বিলাসিতা নয়—এটি নীতিগতভাবে অপরিহার্য। আগামী দিনের শহরগুলোকে টেকসই, নিরাপদ এবং মানবিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হলে সমন্বিত ও সহযোগিতামূলক অভিযোজনই একমাত্র পথ।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()