সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

২০৩০ সালের মধ্যে উন্নত বীজের জমি দ্বিগুণ করতে চায় তানজানিয়া

তানজানিয়ার এক-তৃতীয়াংশেরও কম ক্ষুদ্র কৃষক উন্নত বীজ ব্যবহার করেন। সিজিআইএআর ও ইউএসএআইডির সঙ্গে তৈরি নতুন জাতীয় কৌশলের লক্ষ্য উন্নত বীজের জমি ৩০ লাখ থেকে ৬০ লাখ হেক্টরে এবং কৃষি উপকরণ বিক্রেতা ৩ হাজার থেকে ১২ হাজারে নেওয়া।

তানজানিয়ার প্রতি তিনজন ক্ষুদ্র কৃষকের একজনেরও কম উন্নত বীজ বোনেন। এই একটি সংখ্যাই অনেকটা ব্যাখ্যা করে দেয়, বৃষ্টি বিগড়ালে কেন দেশটির ফলন এত জোরে ধাক্কা খায়। নতুন তানজানিয়া সিড সেক্টর ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি দাঁড় করানো হয়েছে এই সংখ্যাটিকে ঘিরেই।

কৌশলটি তৈরি করেছে তানজানিয়া সরকার, সিজিআইএআর-এর উকামা উস্তাউই উদ্যোগ এবং ইউএসএআইডির অ্যাসপায়ার্স কর্মসূচি। এটি প্রকল্প নয়, সমন্বয়ের দলিল, উদ্দেশ্য এমন একটি বীজব্যবস্থায় কার কী দায়িত্ব তা ঠিক করে দেওয়া, যা এত দিন সংস্থায় সংস্থায় বিভক্ত ছিল, বেসরকারি বিনিয়োগে দুর্বল ছিল এবং গবেষণাকেন্দ্র থেকে গ্রামের দোকানে একটি জাত পৌঁছাতে সময় নিত অনেক।

নকশার কাজে নেতৃত্ব দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়, সঙ্গে ছিল সিজিআইএআর-এর কেন্দ্রগুলো। ব্যবস্থার কোথায় জট তা খুঁজতে ব্যবহার করা হয়েছে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মানচিত্রায়ণ, প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্লেষণ ও বাজারব্যবস্থার মানচিত্রায়ণ। অংশ নিয়েছে সরকারি সংস্থা, বেসরকারি বীজ কোম্পানি ও কৃষক সংগঠনের ১৫০-র বেশি অংশীজন। কৌশলে কৃষি মন্ত্রণালয়কে প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তানজানিয়া অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, অ্যাগ্রিকালচারাল সিড এজেন্সি ও তানজানিয়া অফিশিয়াল সিড সার্টিফিকেশন ইনস্টিটিউটকে শক্তিশালী করা হয়েছে, যাতে জাত অবমুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ ও সনদায়ন দ্রুত হয়।

বিনিয়োগের দিকে যুক্ত হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের কাঠামো, লক্ষ্য বীজ উৎপাদন, বিতরণ অবকাঠামো ও প্রান্তিক সরবরাহে অর্থ টানা। ২০৩০ সালের লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট: উন্নত বীজের আবাদি জমি ৩০ লাখ থেকে ৬০ লাখ হেক্টরে নেওয়া এবং কৃষি উপকরণ বিক্রেতার সংখ্যা ৩ হাজার থেকে ১২ হাজারে তোলা। নকশা পর্যায়ের অর্থ দিয়েছে নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আর কৌশলটি ঘিরে সম্ভাব্য বিনিয়োগের অঙ্ক প্রায় ৩০ কোটি ডলার।

বিক্রেতার সংখ্যা চার গুণ করার অংশটিই ঠিক করে দেবে বাকিটা কাজ করবে কি না। যে সনদপ্রাপ্ত বীজ কৃষক বাড়ির কাছে কিনতে পারেন না, সেই বীজ গুদামেই থেকে যায়, সে কারণেই দোকানের সংখ্যাটি হেক্টরের লক্ষ্যের নিচে নয়, পাশে বসানো হয়েছে।

তানজানিয়া এখন কৌশল তৈরির পর্ব থেকে যাচ্ছে বাস্তবায়নে: নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শক্ত করা, ভিত্তি বীজের সরবরাহ বাড়ানো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর নীতির সঙ্গে সমন্বয়।

বাংলাদেশের বীজব্যবস্থাও একই প্রশ্নের চেনা সংস্করণের মুখোমুখি। বিএডিসি, ব্রি ও বেসরকারি কোম্পানিগুলো বাজারের এক-এক অংশ জোগায়; ফলন বাড়ে কি না তা ঠিক করে দেয় গত মৌসুমের রাখা ধানের বদলে কত শতাংশ কৃষক সনদপ্রাপ্ত বীজ বুনছেন সেই সংখ্যাটি।

সূত্র: সিজিআইএআর (CGIAR)

CGIARসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফল

জলে ডোবা ধানখেতে পানিফল চাষে লাভ দেখছেন তমলুকের চাষিরা

নিম্নচাপ আর অতিবৃষ্টিতে জমিতে জল জমে ধান পচে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তমলুক ব্লকের চাষিরা পানিফল চাষে ঝুঁকেছেন; প্রতি কাঠায় এক থেকে দেড় কুইন্টাল ফলন, কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এই সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

সারে অনিয়মে ডিলারশিপ বাতিল, জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী

রবি মৌসুমের সার সরবরাহ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও ডিএইর উপপরিচালকদের সঙ্গে সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অনিয়ম বা কৃষক হয়রানিতে নতুন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল হবে; প্রতিটি দোকানে দাম ও মজুতের তালিকা টাঙাতে হবে এবং সীমান্তে পাচার ঠেকাতে কড়া নজরদারি লাগবে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

এক বাড়ির শিম চাষ এখন ২০ পরিবারের আয়, সুন্দরগঞ্জের জরমনদী গ্রামে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের জরমনদী গ্রামে প্রায় ১৬ বছর আগে নাটোর থেকে আনা পুঁটি জাতের বীজে শুরু হওয়া শিম চাষ এখন অন্তত ২০ পরিবারের প্রায় ৩৫ বিঘায়; পাইকারিতে কেজি ৫০ টাকা, তবে উপকরণের দাম বাড়ায় লাভ কমছে।

সমকাল৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)