সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯১%বাতাস কিমি/ঘ

কবুতর বেচে নাজিম মাঝির মাসিক আয় ৪০ হাজার

বন্ধুর পরামর্শে প্রায় চার বছর আগে ১০ জোড়া দেশি কবুতর দিয়ে খামার শুরু করেন ভোলার নাজিম মাঝি (৪০)। বর্তমানে তার খামারে আছে রেসার, মিলি, গিরিবাজ, রেছেকার, মাছি জাতের প্রায় ৮০ জোড়া কবুতর। আর এসব কবুতর বিক্রি করে তার মাসিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

মৎস্য

বন্ধুর পরামর্শে প্রায় চার বছর আগে ১০ জোড়া দেশি কবুতর দিয়ে খামার শুরু করেন ভোলার নাজিম মাঝি (৪০)। বর্তমানে তার খামারে আছে রেসার, মিলি, গিরিবাজ, রেছেকার, মাছি জাতের প্রায় ৮০ জোড়া কবুতর। আর এসব কবুতর বিক্রি করে তার মাসিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

নাজিম মাঝি ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সিলদার বাড়ির মো. আবুল সাত্তারের ছেলে। পেশায় জেলে হলেও কবুতরের খামারে ভাগ্য পরিবর্তন ঘটান নাজিম।

নাজিম মাঝি বলেন, 'আগে মাছ ধরে সংসার চলত। যখন মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি হতো, তখন সংসার চালাতে হিমশিম খেতাম। চার বছর আগে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময় তুলাতুলি মেঘনা নদীর তীরে বসে সংসার নিয়ে চিন্তা করছিলাম। এমন সময় বন্ধু ইয়ামিন হাওলাদার পাশে বসে চিন্তার কারণ জানতে চায়। সংসারের বিষয়টি জানানোর পর সে কবুতর পালনের পরামর্শ দেয়।

তিনি আরও বলেন, চারদিনের মাথায় ১০ হাজার টাকা খরচ করে বসতঘরের সঙ্গে কবুতরের জন্য ঘর তৈরি করি। বিভিন্ন বাজার থেকে ১০ জোড়া দেশীয় কবুতর কিনে পালন শুরু করি। ছয় মাসের মধ্যে কবুতরে ঘর ভরে যায়। প্রথম বছরই ৫০-৬০ হাজার টাকার কবুতর বিক্রি করি। পরের বছর এক থেকে দেড় লাখ টাকা। এভাবেই বাড়তে থাকে আয়। এখন অন্য জাতের কবুতরও পালন করছি।

নাজিম বলেন, বর্তমানে প্রতি মাসে কবুতরের খাবারের পেছনে ১০-১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আর মাসে আয় হয় ৩০-৪০ হাজার টাকা। কবুতর বিক্রির টাকা দিয়ে একটি ট্রলারও কিনেছি। সেই ট্রলার নিয়ে মাঝে মধ্যে মাছ শিকারে যাই।

নাজিম মাঝির স্ত্রী রহিমা বেগম বলেন, সংসারের কাজের পাশাপাশি স্বামীকে কবুতরের খামারের সহযোগিতা করছি। কবুতরের খামার দেওয়ার আগে মাছ ধরা বন্ধ থাকলে অনেক কষ্ট হতো। খামার দেওয়ার পর থেকে কষ্ট নেই। বর্তমানে সংসারের কোনো অভাব নেই। অনেক ভালো আছি।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জাগো নিউজকে বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে নাজিমের মতো অনেক কবুতর খামারিকে বিভিন্ন সময় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পরে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রেখে বাণিজ্যকভাবে কবুতরের খামার করে সফল হয়েছে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসজে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()