সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৪°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

কবুতর বেচে নাজিম মাঝির মাসিক আয় ৪০ হাজার

বন্ধুর পরামর্শে প্রায় চার বছর আগে ১০ জোড়া দেশি কবুতর দিয়ে খামার শুরু করেন ভোলার নাজিম মাঝি (৪০)। বর্তমানে তার খামারে আছে রেসার, মিলি, গিরিবাজ, রেছেকার, মাছি জাতের প্রায় ৮০ জোড়া কবুতর। আর এসব কবুতর বিক্রি করে তার মাসিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

বন্ধুর পরামর্শে প্রায় চার বছর আগে ১০ জোড়া দেশি কবুতর দিয়ে খামার শুরু করেন ভোলার নাজিম মাঝি (৪০)। বর্তমানে তার খামারে আছে রেসার, মিলি, গিরিবাজ, রেছেকার, মাছি জাতের প্রায় ৮০ জোড়া কবুতর। আর এসব কবুতর বিক্রি করে তার মাসিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

নাজিম মাঝি ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সিলদার বাড়ির মো. আবুল সাত্তারের ছেলে। পেশায় জেলে হলেও কবুতরের খামারে ভাগ্য পরিবর্তন ঘটান নাজিম।

নাজিম মাঝি বলেন, 'আগে মাছ ধরে সংসার চলত। যখন মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি হতো, তখন সংসার চালাতে হিমশিম খেতাম। চার বছর আগে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময় তুলাতুলি মেঘনা নদীর তীরে বসে সংসার নিয়ে চিন্তা করছিলাম। এমন সময় বন্ধু ইয়ামিন হাওলাদার পাশে বসে চিন্তার কারণ জানতে চায়। সংসারের বিষয়টি জানানোর পর সে কবুতর পালনের পরামর্শ দেয়।

তিনি আরও বলেন, চারদিনের মাথায় ১০ হাজার টাকা খরচ করে বসতঘরের সঙ্গে কবুতরের জন্য ঘর তৈরি করি। বিভিন্ন বাজার থেকে ১০ জোড়া দেশীয় কবুতর কিনে পালন শুরু করি। ছয় মাসের মধ্যে কবুতরে ঘর ভরে যায়। প্রথম বছরই ৫০-৬০ হাজার টাকার কবুতর বিক্রি করি। পরের বছর এক থেকে দেড় লাখ টাকা। এভাবেই বাড়তে থাকে আয়। এখন অন্য জাতের কবুতরও পালন করছি।

নাজিম বলেন, বর্তমানে প্রতি মাসে কবুতরের খাবারের পেছনে ১০-১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আর মাসে আয় হয় ৩০-৪০ হাজার টাকা। কবুতর বিক্রির টাকা দিয়ে একটি ট্রলারও কিনেছি। সেই ট্রলার নিয়ে মাঝে মধ্যে মাছ শিকারে যাই।

নাজিম মাঝির স্ত্রী রহিমা বেগম বলেন, সংসারের কাজের পাশাপাশি স্বামীকে কবুতরের খামারের সহযোগিতা করছি। কবুতরের খামার দেওয়ার আগে মাছ ধরা বন্ধ থাকলে অনেক কষ্ট হতো। খামার দেওয়ার পর থেকে কষ্ট নেই। বর্তমানে সংসারের কোনো অভাব নেই। অনেক ভালো আছি।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জাগো নিউজকে বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে নাজিমের মতো অনেক কবুতর খামারিকে বিভিন্ন সময় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পরে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রেখে বাণিজ্যকভাবে কবুতরের খামার করে সফল হয়েছে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসজে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ন্যানো ফিসফিড উদ্ভাবনে পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবির অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খান

ন্যানো প্রযুক্তিতে মাছের খাবারের ভিটামিন ও খনিজ ছোট করে অপচয় ও পানিদূষণ কমানোর এই উদ্ভাবনে ১ নভেম্বর পেটেন্ট অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস।

চ্যানেল আই অনলাইন৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

চিলমারীর গাতিরঘাটে ব্রহ্মপুত্রের মাছের হাট, মাছ কম আর ডিজেলের খরচে চাপে জেলে

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দিনে দুই দফা বসা ছোট মাছের হাটে প্রায় ১৫০ নৌকা ভেড়ে; জেলেদের দাবি এটি প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো, তবে নদীতে মাছ কমেছে, বেড়েছে খরচ।

প্রথম আলো৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ট্রলারের সোনার প্রযুক্তিতে কমছে মাছের মজুদ, ব্যবহার দুই বছর স্থগিতের আদেশ

সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ প্রতিবেদন বলছে, সোনার প্রযুক্তি ট্রলারের আহরণ বাড়ালেও ইলিশসহ মাছের মজুদ কমাচ্ছে; মন্ত্রণালয় বাণিজ্যিক ট্রলারে এর ব্যবহার দুই বছরের জন্য স্থগিত করেছে।

বাংলা নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)