সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

মরাগাছ তুমি কার!

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা-নাচোল সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরেই দাঁড়িয়ে আছে ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কয়েকটি সরকারি গাছ। হালকা বাতাস হলেই গাছের ডাল ভেঙে মানুষের মাথায় পড়ে। এতে মারাও গেছেন একজন। তাই স্থানীয়দের দাবি দ্রুত অপসারণ করা হোক গাছগুলো।

পরিবেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা-নাচোল সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরেই দাঁড়িয়ে আছে ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কয়েকটি সরকারি গাছ। হালকা বাতাস হলেই গাছের ডাল ভেঙে মানুষের মাথায় পড়ে। এতে মারাও গেছেন একজন। তাই স্থানীয়দের দাবি দ্রুত অপসারণ করা হোক গাছগুলো।

সম্প্রতি সড়কের দুই পাশের গাছগুলো অপসারণে উদ্যোগ নেয় জেলা পরিষদ। তবে এতে বাঁধ সেধেছে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। বিএমডিএর দাবি, সড়কের পাশে থাকা গাছগুলো তাদেরই। দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানের চিঠি চালাচালিতে এখন মরা গাছগুলোর অপসারণ কার্যক্রম আটকে আছে। এতে ক্ষুব্ধ আমনুরা এলাকার সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছুদিন আগে এই মরা গাছগুলো পড়ে আমনুরা শুকানদিঘী এলাকায় আনোয়ারা নামে একগৃহবধূর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই রাস্তার পাশে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো অপসারণের দাবি ওঠে। দীর্ঘদিন পর অপসারণের কাজ শুরু করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় অপসারণযোগ্য গাছগুলো দরপত্রের মাধ্যমে নিলামের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। যথাযথ প্রক্রিয়ায় সদর উপজেলার আমনুরা এলাকার রাস্তার পাশে থাকা ২৫৮টি মরা ঝুঁকিপূর্ণ গাছ নিলাম হয়। এসব গাছের মূল্য নির্ধারণ করে বন বিভাগ।

সর্বোচ্চ দরদাতার সঙ্গে চুক্তিপত্র সম্পাদনের পর গাছ অপসারণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এরপরই গাছ অপসারণ শুরু করে ঠিকাদার। আর তখনই বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) গাছগুলো নিজেদের দাবি করলে নিলাম প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। পরে সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি অপসারণযোগ্য গাছ কাটা বন্ধ করতে জেলা পরিষদকে চিঠি দেয়।

জেলা পরিষদের গাছ নিলাম সংক্রান্ত কাগজপত্রে দেখা গেছে, ড্রেন নির্মাণের জন্য রাস্তার পাশে থাকা মরা ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো কেটে নিতে জেলা পরিষদকে অনুরোধ করেছিল সড়ক ও জনপথ (সওজ)। বিধি অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ নিলাম করে জেলা পরিষদ। চিঠির মাধ্যমে এই তথ্যটি শুরু থেকেই অবগত বিএমডিএ। তখনও প্রতিষ্ঠানটি নীরব ছিল।

গাছ নিলাম প্রক্রিয়ায় জড়িত কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ১৯৮৯-৯০ সালে সড়কের ধারে গাছগুলো রোপণ করে জেলা পরিষদ।

আমনুরা-কেন্দুল এলাকার বাসিন্দা মনিমুল হক তুফান বলেন, সড়কের গাছগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। এখন ঝড়-বৃষ্টি হলে মরা গাছের ডাল ভেঙে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। কিছু গাছ কাটা হলেও, এখন বন্ধ আছে। অবশিষ্ট গাছগুলো দ্রুত অপসারণ না হলে আবারো যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণহানি।

বেশ কিছুদিন আগে এই গাছের ডাল পড়ে মারা যান ওই এলামার আনোয়ারা বেগম। আনোয়ারা বেগমের মেয়ে আসমা খাতুন বলেন, গত তিন বছর আগে বিকেলে হঠাৎ দমকা হাওয়া উঠেছিল। এসময় গরু আনতে বাইরে গিয়েছিলেন আমার মা আনোয়ারা। পরে দমকা হাওয়ায় একটি মরা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে আমার মায়ের মৃত্যু হয়। তাই আমরা দ্রুত এই মরা গাছগুলোর অপসারণ চাই।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আফাজ উদ্দিন বলেন, ভূমিসহ গাছের মালিক জেলা পরিষদ। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় জেলা পরিষদের কোনো ত্রুটি নেই।

তিনি আরও বলেন, বিএমডিএ এখন গাছগুলোর মালিকানা দাবি করছে। তাদের যথাযথ প্রমাণ দিতে বলা হয়। কিন্তু গাছেগুলো তারা রোপণ করেছে এমন কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে এখনো যদি তারা প্রমাণ দিতে পারে আমরা তাদের চুক্তি অনুযায়ী ভাগ বুঝিয়ে দেবো। কিন্তু তারা সমঝোতায় না এসে শুধু অভিযোগ করছে। আর অকারণে জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জানতে চাইলে বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আল মামুন রশীদ বলেন, ১৯৮৯-৯০ সালের দিকে রাস্তার ধারে গাছগুলো রোপণ করা হয়। কিন্তু আমাদের না জানিয়ে ওই গাছ বিক্রি করে দিয়েছে জেলা পরিষদ। গাছগুলো রোপণ করার কোনো প্রমাণ আছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে বিএমডিএর এই কর্মকর্তা বলেন, দুই দপ্তরের চুক্তি হয়েছে। তবে এই চুক্তির কাগজ আপনাকে দেওয়া যাবে না।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()