সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

'মনসুন ব্রেকে' ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টি নেই, শঙ্কায় খরিফ চাষিরা

আবহাওয়া দফতর বলছে, উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম-মধ্য ভারত ও দক্ষিণ উপদ্বীপ অঞ্চলে ছয় থেকে সাত দিন বৃষ্টি কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিবেশ

'মনসুন ব্রেক'-এর কারণে ভারতের পশ্চিম-উত্তর ও মধ্য অঞ্চলে আগামী বহু দিন বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা, যার জেরে খরা পরিস্থিতি প্রকট হতে পারে।

পরিবর্তনটি এমন সময়ে এসেছে যখন ভারতে মৌসুমী বৃষ্টিপাত গড়ের চেয়ে এমনিতেই অনেক কম। আবহাওয়া দফতর শনিবার জানিয়েছে, আগামী ছয় থেকে সাত দিন বৃষ্টিপাত কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারত, পশ্চিম-মধ্য ভারত এবং ভারতের দক্ষিণ উপদ্বীপ অঞ্চলে।

স্যাটেলাইট ছবিই ছবিটা স্পষ্ট করছে। 'লাইভ ওয়েদার অফ ইন্ডিয়া' নামের একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা নবদীপ দাহিয়া 'এক্স'-এ লেখেন, "পশ্চিমঘাট পর্বতমালা থেকে শুরু করে দেশের ভিতরের দিকে অবস্থিত 'কোর মনসুন জোন', কোথাও কোনো বৃষ্টিপাত নেই। আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর, উভয় জায়গাতেই মেঘের উপস্থিতি নগণ্য।"

তার ভাষায়, দৃশ্যটি দেখে মনে হচ্ছে যেন ১২ই জুলাই নয়, বরং ১২ই এপ্রিলের সকাল, আর ১৮ই জুলাইয়ের আগে পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়াবিদ ও স্কাইমেট ওয়েদারের প্রধান মহেশ পাহলাওয়াত বিবিসি নিউজ হিন্দিকে জানিয়েছেন, ১৯-২০শে জুলাই পর্যন্ত পশ্চিম-উত্তর ও মধ্য ভারতে বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। এর ফলে দিল্লি ও সংলগ্ন জাতীয় রাজধানী অঞ্চলসহ একাধিক জায়গায় বৃষ্টিপাত মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে এবং দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে।

মনসুন ব্রেক নিজে অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু এবারের ধরনটি আলাদা। "জুলাই এবং অগাস্ট মাসে মনসুন ব্রেক এক-দুবার হয়ই। গত কয়েক বছর ধরে, মনসুন ব্রেক পুরোপুরি হচ্ছে না। এখন উত্তর-পশ্চিম ভারতে এবং মধ্য ভারতে বৃষ্টি নেই, কিন্তু পূর্ব ভারতে বৃষ্টি হচ্ছে," বলেন মহেশ পাহলাওয়াত।

কৃষকদের উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এখন চলছে খরিফ অর্থাৎ বর্ষাকালের ফসলের মৌসুম — যখন কৃষিকাজের একটি বড় অংশই বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। পশ্চিমবঙ্গে টানা বৃষ্টি চললেও দেশের বাকি বড় অংশে বপনের সময়টাই শুকনো যাচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()