সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

মধুভাতের উপকারিতা জানেন? রইলো রেসিপি

কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকার মানুষের কাছে তাদের নিজস্ব খাবার শুধু একটি খাদ্য নয়, বরং ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আবেগের অংশ। প্রতিটি জেলার নিজস্ব কিছু খাবার থাকে, যা সেই অঞ্চলের ইতিহাস ও জীবনধারার পরিচয় বহন করে। আমাদের খাদ্যসংস্কৃতিতে ভাত, মাছ ও ভর্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে বিশেষ

মৎস্য

কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকার মানুষের কাছে তাদের নিজস্ব খাবার শুধু একটি খাদ্য নয়, বরং ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আবেগের অংশ। প্রতিটি জেলার নিজস্ব কিছু খাবার থাকে, যা সেই অঞ্চলের ইতিহাস ও জীবনধারার পরিচয় বহন করে। আমাদের খাদ্যসংস্কৃতিতে ভাত, মাছ ও ভর্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো মধুভাত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই খাবারটি শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।

চট্টগ্রামে মধুভাত সাধারণত বিভিন্ন উৎসব, পারিবারিক আয়োজন এবং বিশেষ অনুষ্ঠানে তৈরি করা হয়। অতীতে এই খাবারকে ঘিরে একটি সুন্দর সামাজিক রীতি ছিল। আশ্বিন ও কার্তিক মাসে মেয়েদের শ্বশুরবাড়িতে কলসিভর্তি মধুভাত পাঠানোর প্রচলন ছিল। এটি ছিল মেয়ের প্রতি পরিবারের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার প্রতীক। অনেক পরিবার আজও সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

গ্রামীণ চট্টগ্রামে অতিথি আপ্যায়ন কিংবা পারিবারিক মিলনমেলায় মধুভাত পরিবেশন করা একসময় ছিল অত্যন্ত সাধারণ বিষয়। এর স্বাদ ও ঘ্রাণ এখনো অনেকের শৈশবের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক মধুভাত কীভাবে রান্না করবেন এবং এর উপকারিতা কী-

প্রথমে বিন্নি চাল ও পোলাওয়ের চাল প্রায় ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এরপর ভালোভাবে ধুয়ে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে নরম করে ভাত রান্না করে নিন। ভাত কিছুটা আঠালো হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন। এরপর ভাত নামিয়ে অল্প অল্প করে জালা চালের গুঁড়া ছিটিয়ে ভালোভাবে ঘুঁটে নিন। পরে ভাতের ওপর আরও কিছু জালা চালের গুঁড়া ছড়িয়ে উষ্ণ স্থানে প্রায় ১২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এই সময়ের মধ্যে ভাতে একটি বিশেষ গাঁজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যা মধুভাতের স্বাদকে আরও সমৃদ্ধ করে।

অন্যদিকে একটি পাত্রে দুধ ঘন করে জ্বাল দিন। এরপর তাতে নারিকেল কুচি, সামান্য লবণ এবং কনডেন্সড মিল্ক বা চিনি মিশিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে তা ভাতের সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার ভাত বাটিতে ঢেলে নিয়ে নারিকেল, গুঁড়া দুধ ভাতের ওপর ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

অনেকে আবার এটি সামান্য পাতলা করে খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে গরমের দিনে ঠান্ডা মধুভাত খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে।

মধুভাত শুধু সুস্বাদু নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। মধুর প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক কর্মশক্তি বাড়ায়।দুধ ও নারিকেল শরীরকে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি সরবরাহ করে। ফলে এটি একটি শক্তিদায়ক খাবার হিসেবে কাজ করে।

মধুভাতে ব্যবহৃত মধুর প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে।

অনেকেই মনে করেন, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথার সময় মধুসমৃদ্ধ খাবার শরীরকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। যদিও এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়, তবে পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে মধুভাত শরীরকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

ফাস্টফুড ও আধুনিক খাবারের ভিড়ে অনেক ঐতিহ্যবাহী খাবার হারিয়ে যেতে বসেছে। তবুও চট্টগ্রামের মধুভাত এখনও অনেক পরিবারের রান্নাঘরে জায়গা করে আছে। কারণ এটি শুধু একটি খাবার নয়, বরং পারিবারিক ঐতিহ্য, স্মৃতি ও ভালোবাসার প্রতীক। সূত্র: চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতির রূপরেখা, হেলথ লাইন ও অন্যান্য

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মৎস্য

২ কেজির ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার টাকায়

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে সোহরাফ গাজীর জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় আকৃতির ইলিশ। মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে মোট ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বাড়িতে ইলিশ মাছের কাঁটা ছাড়াবেন যেভাবে

বাঙালির পছন্দের মাছের তালিকায় ইলিশ সবসময়ই শীর্ষে। সর্ষে ইলিশ, ভাপা ইলিশ কিংবা পাতুরি খাবারের টেবিলে আলাদা আনন্দ এনে দেয়। তবে ইলিশের স্বর্গীয় স্বাদের পাশাপাশি এর অসংখ্য সরু কাঁটা অনেকের কাছেই বড় সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ইলিশ খাওয়াতে গেলে বাড়ির সবারই বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। অসাবধানতায় গলায় কাঁটা

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()