সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

মাগুরায় ৩টি মিশ্র বাগানে ঝুলছে মিজানের পরিশ্রমের ফল

জীবিকার তাগিদে একসময় গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে ছুটে বেড়াতেন মিজানুর রহমান। তবে নিজের ভাগ্যবদলের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন থেকেই ২০২১ সালে শুরু করেন মিশ্র ফলের বাগান। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নত জাতের ফলের চারা বিক্রি করেন।

ফল

জীবিকার তাগিদে একসময় গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে ছুটে বেড়াতেন মিজানুর রহমান। তবে নিজের ভাগ্যবদলের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন থেকেই ২০২১ সালে শুরু করেন মিশ্র ফলের বাগান। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নত জাতের ফলের চারা বিক্রি করেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের ছোট কলধারী গ্রামের মো. মিজানুর রহমান এখন পরিচিত সফল ফলচাষি হিসেবে। পেশায় তিনি ড্রাইভার। পেশার পাশাপাশি নিজের উদ্যোগ আর পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন তিনটি মিশ্র ফলের বাগান। আড়াই বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা তিনটি বাগানে একসঙ্গে চাষ হচ্ছে নানা জাতের উন্নত ফল।

সময়ের পরিক্রমায় সেই উদ্যোগ এখন রূপ নিয়েছে সফলতায়। তার বাগানে আছে ভিয়েতনামি মাল্টা, বারোমাসি মাল্টা, মাল্টা পয়সা বারি-১, বাউ-৩ ভিয়েতনামি জাত, চায়না ও দার্জিলিং কমলা, বেদানা বারি-৪ ও বারি-৭, পেঁপে এবং বিভিন্ন জাতের লেবু। এরই মধ্যে বেশ কিছু গাছে ধরেছে প্রচুর ফল। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলে থাকা ফলগুলো যেন মিজানুর রহমানের পরিশ্রম আর স্বপ্নেরই প্রতিচ্ছবি।

স্থানীয়দের মতে, মিজানুর রহমানের উদ্যোগটি অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার। তার পেশার বাইরে নিজস্ব উদ্যোগে কৃষিকাজের মাধ্যমে যে সফল হওয়া সম্ভব, তার একটি বাস্তব উদাহরণ তৈরি করেছেন তিনি। কৃষির প্রতি আগ্রহী তরুণদের জন্য মিজানের এই উদ্যোগ হতে পারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও ধৈর্য থাকলে পতিত বা অনাবাদি জমিকেও যে আয়ের উৎসে পরিণত করা যায়, তারই জীবন্ত প্রমাণ ছোট কলধারীর এই মিশ্র ফলের বাগান।

মিজানুর রহমান বলেন, 'ফলের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিজের জীবিকা নিশ্চিত করার জন্যই ফলের বাগান করার উদ্যোগ নিই। শুরুতে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বাগানকে বড় করেছি।'

তিনি বলেন, 'নিজের উদ্যোগে কিছু করার ইচ্ছা থেকেই ফলের বাগান শুরু করি। এখন বাগানে বিভিন্ন জাতের ফল হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাগান করার ইচ্ছা আছে।'

মহম্মদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ইশরাত জাহান শিলু বলেন, 'মিজানুর রহমানের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি গাড়ির ড্রাইভার হয়ে মিশ্র ফলের বাগান করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এমন চিন্তা সবাই করলে ফলের চাহিদা পূরণ হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা পাবে।'

এমএমআইজে/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()