সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

মিরসরাইয়ে বেড়েছে সাপের উপদ্রব, ৯ মাসে আহত ৪ শতাধিক

ভয়াবহ বন্যার পর চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। চলতি বছরের ৯ মাসে উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভায় প্রায় ৪ শতাধিক মানুষকে সাপে কেটেছে। সাপের কামড়ে মারা গেছে এক স্কুলছাত্র। এছাড়া ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ২০৯ জন। বন্যার কারণে সবশেষ আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে আহত হয়ে

পরিবেশ

ভয়াবহ বন্যার পর চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। চলতি বছরের ৯ মাসে উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভায় প্রায় ৪ শতাধিক মানুষকে সাপে কেটেছে। সাপের কামড়ে মারা গেছে এক স্কুলছাত্র। এছাড়া ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ২০৯ জন। বন্যার কারণে সবশেষ আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে আহত হয়েছেন ২০৩ জন।

সাপের কামড়ে যে মারা গেছে সে হলো জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সীমান্ত নাথ। জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দেওয়ানপুর গ্রামের কান্তি নাথের ছেলে।

এদিকে বন্যার পর প্রতিদিনই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটা রোগী আসছে। অনেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছে। অনেকের অবস্থা খারাপ হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেকে) রেফার করা হচ্ছে।

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত হাসপাতালে ২০৯ জন সাপে কাটা রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছেন ২০৩ জন রোগী। জানুয়ারি মাসে দুজন, ফেব্রুয়ারি মাসে ৯ জন, মার্চ মাসে ১৬ জন, এপ্রিল মাসে ৩৬ জন, মে মাসে ৪৫ জন, জুন মাসে ২৯ জন, জুলাই মাসে ৭০ জন। আগস্ট মাসে ও চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত ২০৩ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। মূলত আগস্ট মাসে ভয়াবহ বন্যার পানিতে বিষধর সাপ মানুষের বাড়িঘরে ঢুকে পড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়াও সাপে কাটার পর অনেক রোগী, পার্শ্ববর্তী সীতাকুন্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফেনী সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সাপে কাটা একজন রোগীকে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। যদি ওই রোগীর শরীরের সাপের বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে তখন এন্টিভেনম প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন না হলে রোগীকে এন্টিভেনম প্রয়োগ করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হয় বেশি। ১০ ভাইলমে এক ডোজ, একজন রোগীকে ১০ ভাইলম এন্টিভেনম প্রয়োগ করা লাগে। বর্তমানে হাসপাতালে ২০ ভাইলম এন্টিভেনম মজুত রয়েছে। যা রোগী অনুযায়ী কম।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নাছির উদ্দীন বলেন, সাপে কাটা মাত্রই হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়া উচিৎ। কোনো ওজা, বৈদ্যর কাছে গিয়ে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। এন্টিভেনম লাগবে কি না সেটা শুধুমাত্র এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তার রোগীর লক্ষণ দেখে বলতে পারবেন।

এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.মিনহাজ উদ্দিন রানা জানান, মিরসরাই উপজেলায় পূর্বের তুলনায় সাপে কাটা রোগী বেড়েছে। এমনিতে বৃষ্টির সময় রোগী বেশি থাকে। তবে এবার বন্যার কারণে এর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

এম মাঈন উদ্দিন/জেডএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()