মুগডাল ভাঙানোর মিনি-মিল
বৈশ্বিক উষ্ণতা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে লবণাক্ততা বাড়ছে। হ্রাস পাচ্ছে কৃষিজমির স্বাভাবিক উৎপাদনক্ষমতাও। ফসল উৎপাদনের এই সংকটে পরিস্থিতি কিছুটা কাটিয়ে ওঠার কৌশল হিসাবে কৃষক বেছে নিয়েছেন মুগডাল চাষ। এক ফসলি জমিতে মুগডাল আবাদি এলাকা প্রতিবছরই বাড়ছে। এখন দক্ষিণাঞ্চলে নতুন সম্ভাবনাময় এক ফসলের নাম মুগডাল।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের এসিআইএআর প্রকল্পের সহায়তায় লবণাক্ত সহিষ্ণু গম ও ডাল ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে শুষ্ক মৌসুমে উপকূলীয় পতিত জমিতে ফসল ফলাতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ গম গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মুগডাল ভাঙ্গানো মিনি-মিল সরবরাহ করা হয়েছে। ২০২১ সালে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত ২১ টি মিনিমিল বসানো হয়েছে পটুয়াখালী-বরগুনা জেলার বিভিন্ন জায়গায়।
মুগডাল শুধু পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্যই নয়, মুগ গাছের শিকড় মাটির উর্বরতাকে বাড়িয়েও দেয়। আবার মুগের গাছকে জমিতে মিশিয়ে দিলেও জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। যা জমির লবণাক্ততা হ্রাসেও কিছুটা কার্যকরী, বলছেন কৃষিবিজ্ঞানীরা।





মন্তব্য
(০)