সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

মানুষের অত্যাচারে বিলুপ্তির পথে শকুন

চারিদিকে বরফ। বরফের চাদরে ঢেকে গেছে বসবাসের জায়গা। খাবারের সংকট তীব্র। তাই জীবন বাঁচাতে ২-৩ হাজার কিলোমিটার দূরের কোনো এক নতুন গন্তব্যে আসে। বাসস্থান আর খাবারের সন্ধানে সমতলের খোঁজে পৌঁছতেই প্রাণশক্তি নেমে আসে শূন্যের কোটায়। যে শরীরের স্বাভাবিক ওজন ৯-১৩ কেজি, তা নেমে আসে ৫-৭ কেজিতে। রুগ্ন এবং মৃতপ্র

পরিবেশ

চারিদিকে বরফ। বরফের চাদরে ঢেকে গেছে বসবাসের জায়গা। খাবারের সংকট তীব্র। তাই জীবন বাঁচাতে ২-৩ হাজার কিলোমিটার দূরের কোনো এক নতুন গন্তব্যে আসে। বাসস্থান আর খাবারের সন্ধানে সমতলের খোঁজে পৌঁছতেই প্রাণশক্তি নেমে আসে শূন্যের কোটায়। যে শরীরের স্বাভাবিক ওজন ৯-১৩ কেজি, তা নেমে আসে ৫-৭ কেজিতে। রুগ্ন এবং মৃতপ্রায় শরীর নিয়ে উড়ে এসে যখন সমতলের কোনো মাটিতে পড়ে; তখনই শুরু হয় অন্যরকম অত্যাচার। কেউ ঢিল ছোড়ে, কেউ দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে, কেউ পা ভেঙে দেয়, কেউ বা পিটিয়ে হত্যা করে।

অসহায় এ প্রাণীর নাম 'হিমালয়ী গৃধিনী'। ইংরেজি নাম Himalayan Vulture। বৈজ্ঞানিক নাম Gyps himalayensis। সবাই চেনে শকুন বলে। প্রতিবছর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের দেশগুলো থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তারা চলে আসে বাংলাদেশ ও ভারতের কিছু অংশে।

মৃতদেহ থেকে মাংস খেয়ে অন্তত ৪০টি রোগের ঝুঁকি থেকে মানুষকে রক্ষা করে শকুন। একমাত্র শকুনই অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত মৃত গরুর মাংস খেয়ে হজম করতে পারে। এছাড়া যক্ষ্মা ও খুরা রোগের জীবাণু শকুনের পেটে গিয়ে ধ্বংস হয়ে যায়। মৃতদেহ থেকে ক্ষতিকর জীবাণু ছড়ানোর আগেই তা শেষ করতে পারে শকুন।

বাংলাদেশ শকুন গবেষণা প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পৃথিবীতে ২৩ প্রজাতির শকুনের বাস। তার মধ্যে ৭ প্রজাতির শকুন ছিল বাংলাদেশে। ৭ প্রজাতির শকুনের মধ্যে রাজ শকুন প্রজাতিটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বাকি ৬ প্রজাতি অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে। জীবন বাঁচাতে প্রতি বছর গড়ে ১০০টি শকুন শীত মৌসুমে বাংলাদেশে আসে। চলতি বছর এ পর্যন্ত দুটি দল এসেছে। তার প্রথমটি আসে নভেম্বরের ২৪ তারিখে। সে দলে শকুনের সংখ্যা ছিল ২২-২৫টি। আরেকটি দল আসে ডিসেম্বরের ২৩-২৪ তারিখে। যার সংখ্যা ৪০-৪৫টি।

চলতি সপ্তাহে আসা শকুনের শেষ দল থেকে ৬টি শকুন ক্লান্ত হয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। সেগুলোকে আহত করেছে স্থানীয়রা। প্রকৃতির ঝাড়ুদার এই শকুন দেখা মাত্রই আক্রমণ করে অসেচতন মানুষ। নির্যাতনের পাশাপাশি মানুষ এদের হত্যা করতেও পিছপা হয় না।

এর আগে পঞ্চগড় থেকে ২টি, নীলফামারী থেকে ১টি, কুড়িগ্রাম থেকে ১টি, বগুড়া থেকে ১টি, নারায়ণগঞ্জ থেকে ১টি, কুমিল্লা থেকে ১টি এবং শেরপুর থেকে ২টিসহ মোট ১৪টি শকুন আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নেওয়া হয় দিনাজপুরের শকুন রেসকিউ সেন্টারে। বন বিভাগ ও আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের এ সেন্টারে শকুনগুলোকে পরিচর্যা শেষে অবমুক্ত করা হবে।

আহত অবস্থায় প্রতি বছর গড়ে ২০টি শকুন উদ্ধার করা হয়। গত ৫ বছরে যার সংখ্যা ১০০টি। যার বেশিরভাগ মানুষের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। মাঝে মাঝে এরা মানুষের হাতে প্রাণও হারায়। বাংলাদেশ শকুন সংরক্ষণ প্রকল্পের প্রধান গবেষক সীমান্ত দীপু বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে রাজ শকুন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অন্য প্রজাতি টিকিয়ে রাখতে এখনই সচেতন হতে হবে। হাজার হাজার মাইল দূর থেকে উড়ে আসা শকুনগুলোকে রক্ষা করতে হবে।'

তিনি বলেন, 'আমরা যখনই আহত কোন শকুনের খবর পাই। সাথে সাথে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। মানুষ যদি একটু সচেতন হয়; তাহলে কোনো শকুন মারা যাবে না। দেশের যে প্রান্তেই শকুন থাকুক, বন বিভাগ বা আইইউসিএনকে খবর দেওয়ার অনুরোধ করছি। প্রকৃতির জন্য উপকারী এ প্রাণীকে বাঁচাতে এ সচেতনতাটুকু প্রয়োজন।'

সীমান্ত দীপু আরও বলেন, 'গত পাঁচ-ছয় বছরে আমরা প্রায় শতাধিক শকুন সুস্থ করে ছেড়েছি। তার মধ্যে গত ২ বছর ধরে আমরা এদের পায়ে রিং পড়িয়ে দিচ্ছি এদের গতিবিধি ট্যাগ করার জন্য। এরা নভেম্বরে এসে আবার মার্চ বা মধ্য এপ্রিলে ফিরে যায়।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()