সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

লঞ্চে চাঁদপুর থেকে ঢাকায় ৬ গোখরা, গুলিস্তানে উদ্ধার

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকা থেকে ছয়টি প্রাণঘাতী বিষধর গোখরা সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। উদ্ধার করা সাপগুলোর মধ্যে পাঁচটি খৈয়া গোখরা (ইন্ডিয়ান কোবরা) এবং একটি পদ্ম গোখরা।

পরিবেশ

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকা থেকে ছয়টি প্রাণঘাতী বিষধর গোখরা সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। উদ্ধার করা সাপগুলোর মধ্যে পাঁচটি খৈয়া গোখরা (ইন্ডিয়ান কোবরা) এবং একটি পদ্ম গোখরা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোরে গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে সাপগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় সাপ বহনের অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আদনান আজাদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ব্যক্তি চাঁদপুর থেকে লঞ্চযোগে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ৬টি প্লাস্টিকের ব্যাগে সাপগুলো ঢাকায় নিয়ে আসেন। একটি অবৈধ সাপের খামারের মালিকের কাছে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে এগুলো রাজধানীতে আনা হয়েছিল।

আদনান আজাদ বলেন, যে কোনো মুহূর্তে প্লাস্টিকের ব্যাগ ছিঁড়ে সাপগুলো বের হয়ে লঞ্চে ছড়িয়ে পড়তে পারতো, যা বড় ধরনের জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি হতে পারতো।

আইনি ব্যবস্থা ও প্রকৃতির কোলে ফেরানোর উদ্যোগ আটক আসামিকে নিয়ে প্রতিনিধিদলটি শাহবাগ থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া গোখরাগুলোকে লোকালয় থেকে দূরে কোনো গহীন বনে অবমুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()