যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ মে মাস থেকে সারা দেশে ৯০ হাজারের বেশি কৃষকের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে জুন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভের জন্য — যে জরিপ থেকে ২০২৬ সালের ১ জুন পর্যন্ত দেশটির ফসলি জমির পরিমাণ ও শস্য মজুতের হিসাব তৈরি হয়।
ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিসের (এনএএসএস) প্রশাসক জোসেফ এল পারসনস বলেন, “এনএএসএস যত জরিপ করে তার মধ্যে জুন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিতগুলোর একটি। কৃষকরা যখন অংশ নেন, তখনই দেশের কৃষি প্রতিবেদন নির্ভুল, স্বচ্ছ ও জল্পনামুক্ত থাকে।”
কৃষকদের কাছে জানতে চাওয়া হয় আবাদ ও কর্তন করা জমির পরিমাণ — বায়োটেক জাতের জমিসহ — এবং গুদামে থাকা শস্যের পরিমাণ। উত্তর দেওয়া যায় অনলাইনে, টেলিফোনে বা ডাকে।
পারসনস বলেন, “আমরা জানি এটি কৃষকের ব্যস্ত সময়। কিন্তু তাঁদের দেওয়া তথ্যই মার্কিন কৃষিকে সক্ষম ও টিকে থাকার মতো রাখে। আমি তাঁদের জরিপে সাড়া দিতে অনুরোধ করছি এবং অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
এই তথ্য থেকে একের পর এক প্রতিবেদন তৈরি হয়। এনএএসএস জানিয়েছে, প্রথমে ৩০ জুন প্রকাশিত হয় বার্ষিক অ্যাক্রিএজ ও ত্রৈমাসিক গ্রেইন স্টকস প্রতিবেদন; এরপর তা কাজে লাগে সংস্থার মাসিক ও বার্ষিক ক্রপ প্রোডাকশন প্রতিবেদনে, স্মল গ্রেইনস সামারিতে, বার্ষিক ফার্মস অ্যান্ড ল্যান্ড ইন ফার্মস ও ল্যান্ড ভ্যালুজ প্রতিবেদনে, গবাদি পশু, ভেড়া-ছাগল ও শূকরের প্রতিবেদনে এবং কৃষি বিভাগের মাসিক ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রিকালচারাল সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ড এস্টিমেটসে।
শেষের প্রতিবেদনটির কারণেই মার্কিন কৃষকদের একটি জরিপ ঢাকায় বসেও পড়া হয়। বিশ্বের শস্য ব্যবসায়ীরা যেসব নথি দেখে দর ঠিক করেন, ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রিকালচারাল সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ড এস্টিমেটস তার একটি — আর জুনে সংগ্রহ করা আবাদ ও মজুতের এই সংখ্যাই তার ভেতরে যায়।
সূত্র: ইউএসডিএ ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস





মন্তব্য
(০)