সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

ভোলায় জব্দ করা কোটি টাকার ইলিশ গায়েবের ঘটনায় বিচারিক তদন্তের নির্দেশ

ভোলার চরফ্যাশন থেকে মাছ ব্যবসায়ীদের ক্রয় করা কোটি টাকার ইলিশ গায়েবের অভিযোগের ঘটনায় বিচারিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মৎস্য

ভোলার চরফ্যাশন থেকে মাছ ব্যবসায়ীদের ক্রয় করা কোটি টাকার ইলিশ গায়েবের অভিযোগের ঘটনায় বিচারিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে ১০ ব্যবসায়ীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার (২৩ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, অতিরিক্ত জেলা জজের নিচে নন— এমন একজন বিচারক দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত বিষয়ে করা রিটের বিষয়ে শুনানি নিয়ে সোমবার (২২ জুন) হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মনিরুল ইসলাম মিয়া, রোকনুজ্জামান, মোরশেদুল ইসলাম। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সংশ্লিষ্ট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফারুক হোসেন।

এর আগে 'ভোলায় জব্দ ইলিশ গায়েব' শীর্ষক একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিটটি করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন আদালত। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোলার চরফ্যাশন থেকে ব্যবসায়ীদের বৈধভাবে ক্রয় করা কোটি টাকার ইলিশ ঢাকায় পরিবহনের পথে জব্দ করা হয়। পরে মাদরাসা ও এতিমখানায় কিছু মাছ বিতরণের নামে বেশিরভাগ মাছ লুটপাটের অভিযোগ ওঠে।

আইনজীবী বলেন, বৈধ পারমিট থাকার পরও ১০ হাজার কেজির বেশি ইলিশ মাছ বেআইনিভাবে জব্দ এবং পরে আদালতের আদেশ ছাড়াই তা গায়েব করার অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কোস্ট গার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে একজন অতিরিক্ত জেলা জজের নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত এ মামলায় পক্ষভুক্ত বিবাদী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতি এ নির্দেশনা জারি করেন। কেন এই বেআইনি ও অননুমোদিত ইলিশ জব্দ এবং জব্দ তালিকা ছাড়া তা নিষ্পত্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা বিবাদীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের নেতৃত্বে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হবে। এ কমিটি ইলিশ মাছের এই বিশাল চালান জব্দের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে যেভাবে তা আত্মসাৎ বা নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করবে। তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদনটি সিলগালা অবস্থায় আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১২ মে আবেদনকারীদের বৈধ পরিবহন পারমিট থাকা সত্ত্বেও ১০ হাজার ১৪০ কেজি ইলিশ মাছ বেআইনিভাবে জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪ লাখ ২ হাজার ৭৮৪ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, কোস্ট গার্ড বা সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক জব্দ তালিকা বা বিচারিক আদেশ ছাড়াই পরে এই মাছের চালানটি গায়েব বা নিষ্পত্তি করা হয়।

বিবাদীদের এমন আইনবহির্ভূত ও স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপের কারণে আবেদনকারীরা চরম আর্থিক ক্ষতি ও মানসিক যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়েছেন উল্লেখ করে আদালতে এই রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। রিটে ইলিশ মাছের মূল্যের পাশাপাশি ২০ শতাংশ সুদসহ মোট ১ কোটি ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ের আর্জি জানানো হয়েছে। আদালত রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল জারিসহ এই বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন।

এফএইচ/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()