সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

জয়পুরহাটে কৃষি কেন্দ্রগুলো এখন ‘ভূতুড়ে বাড়ি’, সেবা বঞ্চিত কৃষক

প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আশির দশকে জয়পুরহাটের ৩২টি ইউনিয়নে নির্মাণ করা হয়েছিল 'কৃষি সম্প্রসারণ ও পরামর্শ প্রদান কেন্দ্র'। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক যুগের অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে এই কেন্দ্রগুলো এখন একেকটি 'ভুতুড়ে বাড়িতে' পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ ভবনগুলো আগাছায় ঢেকে গিয়ে

প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আশির দশকে জয়পুরহাটের ৩২টি ইউনিয়নে নির্মাণ করা হয়েছিল 'কৃষি সম্প্রসারণ ও পরামর্শ প্রদান কেন্দ্র'। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক যুগের অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে এই কেন্দ্রগুলো এখন একেকটি 'ভুতুড়ে বাড়িতে' পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ ভবনগুলো আগাছায় ঢেকে গিয়ে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে জেলার কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন প্রয়োজনীয় পরামর্শ থেকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ ও পরামর্শ প্রদান কেন্দ্রগুলো আগাছা ও লতাপাতায় জঞ্জাল হয়ে আছে। ভবনগুলোর দরজা-জানালা ভেঙে গেছে, পলেস্তারা খসে পড়ছে। দেখে মনে হয়, একেকটি ভুতুড়ে বাড়ি। শুরুতে এসব কেন্দ্র থেকে কৃষকরা বীজ, সার ও কৃষি পণ্য সংরক্ষণসহ উৎপাদন বিষয়ক নানা পরামর্শ পেতেন। কৃষি কর্মকর্তারাও নিয়মিত অফিস করতেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এখন আর কোনো কার্যক্রম নেই।

কালাই উপজেলার কৃষক আয়নাল হক বলেন, পরিত্যক্ত এসব ভবন এখন অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যা নামলেই এখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ে। এছাড়া স্থানীয়রা ভবনগুলোর সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষিত করছেন।

সদর উপজেলার কৃষক আবু রায়হান বলেন, অফিসগুলো এখন ময়লার ভাগাড়। আমরা চাই দ্রুত এর সংস্কার হোক। আগের মতো কৃষি কর্মকর্তারা এখানে এসে বসলে আমরা উপকৃত হতাম। আরেক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, আগে এখান থেকে পরামর্শ নিয়ে চাষাবাদ করতাম। এখন সেই সুযোগ নেই। অফিসটি নতুন করে চালু করলে আমাদের জন্য এটি একটি ভালো প্রাণকেন্দ্র হতে পারে।

আক্কেলপুর উপজেলার কৃষক খালেক হোসেন দ্রুত যেন জরাজীর্ণ ভবনগুলো সংস্কার করে সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং কৃষিবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ. কে. এম সাদিকুল ইসলাম জানান, বরাদ্দের অভাবে সংস্কার কাজ আটকে আছে। যদি প্রয়োজনীয় ফান্ড বা বরাদ্দ পাওয়া যায়, তবে আমরা ভবনগুলো মেরামত করব। সংস্কার করা গেলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা (এসও) সেখানে অবস্থান করতে পারবেন। এতে বীজ ও সার সংরক্ষণ সহজ হবে এবং কৃষক ভাইয়েরা সার্বিকভাবে উপকৃত হবেন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
জৈব

প্রাকৃতিক কৃষিচর্চায় পাবনায় আট কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে অবদানের জন্য পাবনার আমিনপুরে বিকে ফাউন্ডেশন আটজন কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট দিয়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)