সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

জমে উঠেছে বৃক্ষমেলা, ১৫ কোটি টাকার চারা বিক্রি

প্রতিবছরের মতো রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৩। এবারের বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য 'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি'। মেলায় প্রাকৃতিক আবহে সবকিছু সাজানো হয়েছে। যেন এক নতুন বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। নানা শ্রেণিপেশার মা

পরিবেশ

প্রতিবছরের মতো রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৩। এবারের বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য 'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি'। মেলায় প্রাকৃতিক আবহে সবকিছু সাজানো হয়েছে। যেন এক নতুন বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। নানা শ্রেণিপেশার মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জাতীয় বৃক্ষমেলা।

প্রথম পর্বে ৫ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত চলে এ বৃক্ষমেলা। ঈদুল আজহার পর দ্বিতীয় ধাপে ১ জুলাই শুরু হওয়া বৃক্ষমেলার আয়োজন শেষ হবে ১২ জুলাই।

মেলা শুরুর প্রথম দিন ৫ জুন থেকে গত ৮ জুলাই পর্যন্ত মোট ২০ লাখ ৫৯ হাজার ৭৪৫টি বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিক্রি হয়েছে। যার মূল্য ১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩ টাকা। এরমধ্যে ঘর সাজানোর গাছ ও ছাদ বাগানের গাছের চাহিদা বেশি। তুলনামূলক অর্কিড ও ক্যাকটাসের চারার দাম চড়া, তবে আম গাছের চারা মিলছে কম দামে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে মেলা প্রাঙ্গণ।

আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে জাতীয় বৃক্ষমেলায় বেড়েছে বেচাকেনা

রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়া থেকে জাতীয় বৃক্ষমেলায় এসেছেন সামিউল শাহীন, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও শিশুকন্যা। পড়ন্ত বিকেলে পরিবার নিয়ে মেলায় ঘুরার পাশাপাশি তিনি পছন্দের কিছু গাছও কিনবেন। সামিউলের স্ত্রী নুসরাত শাহীন জাগো নিউজকে বলেন, আমরা বাড়ির ছাদ বাগান সাজানোর জন্য নানা ধরনের ফলজ গাছ কিনবো। বিশেষত আম ও আমলকি। এছাড়া ঘর সাজানোর জন্য বনসাই জাতীয় কিছু গাছ কিনবো।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বৃক্ষমেলার বিভিন্ন স্টলে সারি সারি সাজানো রয়েছে বনজ, ফলজ, সবজি, ওষুধিসহ দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির চারা গাছ। বিক্রি হচ্ছে চেনা-অচেনা ফুল ও ফলের গাছও। এছাড়াও রয়েছে বনসাই ও ক্যাকটাসের মতো গাছ। নানা বয়সের বৃক্ষপ্রেমীরা প্রতিদিন মেলায় আসছেন, বিভিন্ন স্টল ঘুরে কিনছেন পছন্দের গাছ। ৫০ টাকার আম গাছের চারা থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকার বনসাই জাতীয় গাছের চারাও বিক্রি হচ্ছে এবারের বৃক্ষমেলায়।

'লিভিং আর্ট বনসাই' স্টলে গিয়ে দেখা যায়, নানা জাতের বনসাই গাছ দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা৷ সেখানে একটি আম গাছের বনসাই নিয়ে সবার আগ্রহ৷ ১৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের বনসাই গাছ আনা হয়েছে মেলায়। তেরো লাখ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা আম বনসাইটির বয়স ৪০ বছর ৷ তবে ক্রেতাদের মাঝে সর্বোচ্চ আট লাখ টাকা দাম বলেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও মেলায় দেশি বটের বনসাই তিন লাখ টাকা, সুন্দরী ও তেঁতুলের বনসাই দেড় লাখ ও এক লাখ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। আরও রয়েছে আফ্রিকান বাউবাব, হিজল, তমালসহ বেশ কিছু জাতের বনসাই৷

মেলা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন স্টলে সারি সারি সাজানো বনজ, ফলজ, সবজি ও ওষুধি দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছ। পাওয়া যাচ্ছে চেনা-অচেনা নানা প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছও। এরমধ্যে আছে- জবা ফুল, ম্যান্ডেভিলা ফুল, হাসনাহেনা, পলাশ, কনকচাঁপা, বাসন্তি, মালতী, নয়নতারা, আম, আতা, কুল, বড়ই, ডালিম, করমচা, বেল, জাম্বুরা, কাঁঠাল, লাল কাঁঠাল, চাম কাঁঠাল, ডুমুর, কাজু বাদাম, ডুরিয়ান, অলিভ, কাউ, পিচ, কিউই ফল, অ্যাভোকেডো, আলমন্ডা, ড্রাসিনা, চেরী ফল, পার্সিমন ফল, ড্রাগন, ট্যাং ফল, অ্যাপ্রিকট ফল, আদা জামির, স্ট্রবেরি পেয়ারা, বিলাতি গাব, রাম্বুটান, জয়ফল, সাদা নাশপাতি, রাবাবা, মাল বেরি, লোকাট ফল, এবিউ ফল কালোজাম, সাতকরা, সফেদা, কদবেল, আঁশফল, ঘৃতকুমারী, লটকনসহ নাম জানা-অজানা হাজারো ফুল ও ফলের দেশি-বিদেশি গাছ। পাওয়া যাচ্ছে বিরল প্রজাতির গাছ নাগলিঙ্গম।

মেলায় ঘুরতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজ আবেদীন বলেন, ইট-পাথরের শহরে ছাদ বাগান করতে অনেক ভালো লাগে। আমার ছাদ বাগানের জন্য নতুন কিছু গাছ নিতে এসেছি। এখানে বাহারি জাতের ফুল ও ফল গাছ দেখছি৷ একেবারে ভিন্ন রকমের কোনো গাছ নিয়ে যাবো।

গত দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবারের বৃক্ষমেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভালো সাড়া মিলছে বলে জানিয়েছেন স্টল মালিক ও বিক্রেতারা।

বন অধিদপ্তরের সহকারী বন সংরক্ষক ব্রজগোপাল রাজবংশী জাগো নিউজকে বলেন, আমরা প্রায় ২১ লাখ চারা বিক্রি করেছি। যার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। পরিবেশসম্মতভাবে বৃক্ষমেলা হচ্ছে। কোনো গান বাজনা বা লাইটিং নেই। পুরো মেলা প্রাঙ্গণ বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। দিন দিন গাছ লাগানোর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এটিই সবচেয়ে বড় তৃপ্তির খবর।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()