কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) ৩০ কোটি জাপানি ইয়েন, প্রায় ১৮ লাখ মার্কিন ডলার দিয়েছে জাপান। এই অর্থে ৫৭ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুলে খাবার দেওয়া এবং শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। রাজধানী ব্রাজাভিলে এক অনুষ্ঠানে ডব্লিউএফপি এ ঘোষণা দেয়।
অনুদানের অর্থে স্কুল খাবারের জন্য চাল ও টিনজাত মাছ কেনা হবে এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র থেকে আসা শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের খাবারের জোগান দেওয়া হবে। স্কুলের খাবার শিশুদের খাদ্যে বৈচিত্র্য, উপস্থিতি, মনোযোগ ও শেখায় সাহায্য করে, পরিবারের খাবারের খরচও কমায়। দেশজুড়ে ডব্লিউএফপি ৯২ হাজার শিশুকে স্কুলে খাবার দেয়, আর তাদের সহায়তা পাওয়া স্কুলগুলোতে উপস্থিতি ৯০ শতাংশের বেশি।
শরণার্থী সহায়তা যাবে লিকুয়ালা, প্লাতো ও জুয়ে-লেফিনি জেলায়, যেখানে আয়ের সুযোগ ও জমির অভাবে শরণার্থী পরিবারগুলো খাবারের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খায়, বিশেষ করে বারবার বন্যাকবলিত এলাকায়।
কঙ্গোর প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা এবং সাক্ষরতামন্ত্রী জাঁ-লুক মুতু (Jean-Luc Mouthou) বলেন, স্কুলের খাবার শিশুদের নিয়মিত স্কুলে আসতে এবং ভালো পরিবেশে শিখতে সাহায্য করে। জাপানের রাষ্ট্রদূত হিদেতোশি ওগাওয়া (Hidetoshi Ogawa) বলেন, অস্থিরতা থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয় দিয়ে আসছে।
২০১৬ সাল থেকে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ডব্লিউএফপির স্কুল খাবার, শরণার্থী সহায়তা ও পুষ্টি কার্যক্রমে জাপান ১ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি দিয়েছে, যা প্রায় ৯৬৫ কোটি সিএফএ ফ্রাঁর সমান। ডব্লিউএফপির দেশীয় প্রতিনিধি ও পরিচালক গন মায়ার্স (Gon Myers) বলেন, প্রতিদিনের এক বেলা স্কুল খাবার শিশুর স্বাস্থ্য ও শেখার সহায়ক।
ছবি: Fdsm / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ডব্লিউএফপি




মন্তব্য
(০)