সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯১%বাতাস কিমি/ঘ

নার্সারিতে জামাল খানের বছরে আয় ৫ লাখ টাকা

১০ বছর বয়সে মাকে হারান জামাল খান। কিছুদিন পর বাবা আবার বিয়ে করেন। অভাব অনটনের সংসারে প্রাথমিকের গণ্ডি পার হওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। অনাদর আর অবহেলায় বেড়ে ওঠে তার জীবন। এক সময় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা বিক্রি শুরু করেন। বেশ কয়েক বছর মাছের ব্যবসা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় হয়। সে টাকায় ১০ বছর

মৎস্য

১০ বছর বয়সে মাকে হারান জামাল খান। কিছুদিন পর বাবা আবার বিয়ে করেন। অভাব অনটনের সংসারে প্রাথমিকের গণ্ডি পার হওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। অনাদর আর অবহেলায় বেড়ে ওঠে তার জীবন। এক সময় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা বিক্রি শুরু করেন। বেশ কয়েক বছর মাছের ব্যবসা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় হয়। সে টাকায় ১০ বছর আগে শুরু করেন নার্সারি।

প্রথমে কিছু বনজ ও ফলদ চারা দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও ধীরে ধীরে বেড়েছে নার্সারির পরিধি। নার্সারির পেছনে এখন তার প্রায় অর্ধ কোটি টাকার বিনিয়োগ আছে। হয়েছে অন্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও। তার এমন সফলতায় উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বেকার যুবকরা।

জামাল খান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের রহিলা এলাকার মৃত মোমরেশ খানের ছেলে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের চারা ও বীজ সংগ্রহ করেন তিনি। তার নার্সারিতে এখন দেড় শতাধিক বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি চারা আছে।

জামাল খান বলেন, ২০১২ সালের শেষ দিকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে নার্সারি শুরু করেছি। আমার নার্সারিতে সারাবছর চার-পাঁচজন শ্রমিক কাজ করে। মৌসুমে ১০-১২ জন শ্রমিক প্রয়োজন হয়। নার্সারির লভ্যাংশ দিয়ে বাড়ির পাশে ২৭ শতাংশ জমি কিনেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে বিয়ে দিয়েছি। বড় ছেলেকে কাজের জন্য প্রবাসে পাঠিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ক্রেতা আমার নার্সারিতে এসে পছন্দের চারা কেনেন। প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ হাজার টাকার চারা বিক্রি হয়। শ্রমিকের বেতন এবং অন্য খরচ বাদে মাসে গড়ে ৩৫-৪০ হাজার টাকা আয় হয়। তবে মৌসুমের সময় বিক্রি বাড়ে তখন মাসে আয় অর্ধ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। সব মিলিয়ে বছরে ৫ লাখ টাকার বেশি আয় থাকে আমার।

নার্সারির পরিচর্যাকারী নুর মোহাম্মদ বলেন, বেশ কয়েক বছর যাবত আমি এ নার্সারিতে কাজ করছি। প্রতিমাসে মাসে ৯ হাজার টাকা বেতন পাই। নার্সারিতে কাজ করে অনেক ভালো আছি।

চারা কিনতে আসা হুমায়ন সিকদার বলেন, এ নার্সারিতে তুলনামূলক কম দাম ও ভালো মানের চারা পাওয়া যায়। তাই যেকোনো গাছের চারা প্রয়োজন হলেই এখানে চলে আসি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেহা নুর জাগো নিউজকে বলেন, নার্সারি একটি লাভজনক ব্যবসা। বেকার যুবকরা নার্সারি করে স্বাবলম্বী হতে পারে। সম্ভাবনাময় এ খাতকে বড় করতে কৃষি অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের কাছে এলেই সহযোগিতা করে থাকি। নার্সারির উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()