বায়োফ্লক নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন বড় শিল্প উদ্যোক্তা। শিল্প কারখানার হাজার হাজার শ্রমিকের বিশুদ্ধ আমিষের যোগান দিতে অধিক ঘনত্বে মাছ চাষের ওই প্লান্ট স্থাপন করেছে তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ জাবের। অল্পদিনের উৎপাদন সাফল্যে বড় সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।
নদী জলাশয় বা পুকুরে নয়, বাড়ির উঠোনে বা ঘরের ভেতর চৌবাচ্চায় বাণিজ্যিক মাছের খামার। অধিক ঘণত্বে ঘরোয়া মাছ চাষের পদ্ধতি বায়োফ্লকের বার্তা পৌঁছে গেছে সবখানে। জেনে বুঝে উদ্যোগ নিয়ে অনেকেই শুনিয়েছেন সাফল্যের নানা গল্প। সেই ধারায় এবার যুক্ত হয়েছে নোমান গ্রুপের কর্নধার আব্দুল্লাহ জাবের। বিশাল শিল্প আয়োজনের ভেতরেই একটি অংশে তার বায়োফ্লকের খামার।
১১টি ছোট বড় চৌবাচ্চায় বিজ্ঞানসম্মত সব নিয়ম মেনে নানা রকম মাছ ছাড়া হয় ছয় মাস আগে। উদ্যোক্তা বলছেন, উৎপাদন লক্ষ্যের সঙ্গে মিলে গেছে বাস্তবতা।
আব্দুল্লাহ জাবের বলছেন, কোম্পানীর ৭০ হাজার কর্মীর মাছের চাহিদা পুরণে এই উদ্যোগ আরো সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে তার। তরুণ ব্যবসায়ী হিসেবে মাছ নিয়ে রপ্তানী বাণিজ্যের স্বপ্নও দেখছেন তিনি।





মন্তব্য
(০)