উচ্চবেতনের চাকরি আর বিদেশের আধুনিক জীবন যাপন ফেলে জনকল্যাণমুখি কৃষি উৎপাদনে নিয়োজিত হয়েছেন কম্পিউটার প্রকৌশলী ইমরুল হাসান। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পৈত্রিক ভিটায় তিনি গড়ে তুলেছেন শতভাগ অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত পোল্ট্রি খামার। মুরগির মাংস নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভোক্তার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।
প্রাণিসম্পদে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তোড়জোর শুরু করেছে গত শতকের নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে। এর পরপর কঠিনভাবে সতর্ক হয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। তাগিদ এসেছে এশিয়ায়, এমনকি বাংলাদেশে। কিন্তু পোল্ট্রি থেকে শুরু করে প্রাণিসম্পদের সকল পর্যায়েই এন্টিবায়োটিক হয়ে আছে অপরিহার্য।
বিষয়গুলো বহুদিন ধরেই উপলদ্ধি করছেন কম্পিউটার প্রকৌশলী ইমরুল হাসান। করোনায় জীবনমৃত্যুর সন্ধীক্ষণ থেকে ফিরে এসে গত বছর অক্টোবরে উদ্যোগ নেন শথভাব এন্টিবায়োটিকমুক্ত পোল্ট্রি খামার গড়ার।
এখন তিনটি শেডে প্রচলিত ব্রয়লার, সোনালী ও মিশ্র রঙের পোল্ট্রি লালন পালন করছেন তিনি। সাধারণ অবকাঠামোর এই খামারে অনুসরণ করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। শুদ্ধতা মানা হচ্ছে খাদ্য-উপকরণ তৈরিতে।
উদ্যোক্তা বলছেন, এন্টিবায়োটিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান পরিহার করতে গিয়ে বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরবচ। তারপরও এ ব্যাপারে মোটেও ছাড় দিতে চান না তিনি।





মন্তব্য
(০)