সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ১৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৮ মিমি

আমাদের দেশে কত ধরনের চা পান করা হয়?

আমরা বাঙালিরা বরাবরই আড্ডাপ্রিয় মানুষ। আর আড্ডা হবে, কিন্তু সেখানে চা থাকবে না, তা কি হয়! বরং আড্ডায় বসে আলাপচারিতার মাঝে কে কত কাপ চা খেল, তা হিসেব করাটাই প্রায় অপ্রয়োজনীয় বিষয়। আড্ডা কিংবা অবসরে যেমন চা, তেমনি ক্লান্তি দূর করতেও চায়ের জুড়ি নেই। সকালবেলার নাস্তার পর এক কাপ চা না হলে অনেকের দিনই শুর

ফসল

আমরা বাঙালিরা বরাবরই আড্ডাপ্রিয় মানুষ। আর আড্ডা হবে, কিন্তু সেখানে চা থাকবে না, তা কি হয়! বরং আড্ডায় বসে আলাপচারিতার মাঝে কে কত কাপ চা খেল, তা হিসেব করাটাই প্রায় অপ্রয়োজনীয় বিষয়। আড্ডা কিংবা অবসরে যেমন চা, তেমনি ক্লান্তি দূর করতেও চায়ের জুড়ি নেই। সকালবেলার নাস্তার পর এক কাপ চা না হলে অনেকের দিনই শুরু হয় না। অলস দুপুর বা বিকেলের আড্ডায়ও চা যেন এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী।

জাতীয় চা দিবস উপলক্ষে প্রশ্ন উঠতেই পারে, বাংলাদেশে আসলে কত ধরনের চা পান করা হয়? উত্তরটা সহজ নয়, কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চায়ের ধরনও অনেক বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠেছে। প্রতিটি চায়ের নিজস্ব স্বাদ, ব্যবহার এবং লাইফস্টাইলের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় চা হলো দুধ চা। এটি সাধারণত চা পাতা, দুধ ও চিনি দিয়ে তৈরি করা হয়। সকালবেলা নাস্তার সঙ্গে কিংবা বিকেলের আড্ডায় দুধ চা ছাড়া যেন জীবন অসম্পূর্ণ।

চায়ের দোকানগুলোতে যে এক কাপ চা বলা হয়, তার বেশিরভাগই দুধ চা। এর ঘন স্বাদ এবং মিষ্টি ঘ্রাণ মানুষের মনকে সহজেই আকর্ষণ করে।

লাল চা বা ব্ল্যাক টি দুধ ছাড়া তৈরি হয়। এটি তুলনামূলকভাবে হালকা এবং স্বাস্থ্যসম্মত। ডায়েট সচেতন মানুষ, অফিসগামী কর্মী কিংবা সকালে হালকা পানীয় হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গ্রিন টি বেশ জনপ্রিয়। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শরীরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়। ওজন নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেস এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে অনেকেই গ্রীন টি পান করেন। চিনি ছাড়া এই চা স্বাদে হালকা হলেও স্বাস্থ্যগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

হারবাল চা মূলত আদা, তুলসি, লেবু, দারুচিনি বা ক্যামোমাইলের মতো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। আবহাওয়া পরিবর্তন, সর্দি-কাশি বা ক্লান্তির সময় এই চা বিশেষভাবে জনপ্রিয়। আদা চা বৃষ্টির দিনে শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। এটি অনেকের কাছে ঘরোয়া চিকিৎসার একটি অংশও।

শহরের জীবনে ফ্লেভার্ড চায়ের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। লেমন টি, জিঞ্জার টি, মিন্ট টি, হানি টি-এসব চা আধুনিক ক্যাফে সংস্কৃতির অংশ।

তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি শুধু পানীয় নয়, বরং একটি লাইফস্টাইল স্টেটমেন্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এসব চা এখন ট্রেন্ডিং।

সাদা চা তুলনামূলক কম প্রক্রিয়াজাত চা, যা ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস গাছ থেকে তৈরি হয়। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে এবং এটি শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। বাংলাদেশেও এখন এর উৎপাদন শুরু হয়েছে।

বিশ্বায়নের প্রভাবে বাংলাদেশে বাবল টি বা বুদবুদ চা জনপ্রিয় হয়েছে। ট্যাপিওকা পার্ল ও দুধ মিশিয়ে তৈরি এই চা তরুণদের মধ্যে দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে। এর পাশাপাশি এসেছে মালাই চা ও তান্দুরি চা। মালাই চা ঘন ও ক্রিমি স্বাদের জন্য আলাদা আকর্ষণ তৈরি করে, আর তান্দুরি চা মাটির ভাঁড়ে বিশেষভাবে পরিবেশন করা হয়, যা চায়ের অভিজ্ঞতাকে আরও ভিন্ন মাত্রা দেয়।

বাংলাদেশে মসলা চা অত্যন্ত জনপ্রিয়, যা আদা, এলাচ, দারুচিনি বা লবঙ্গ দিয়ে তৈরি হয়। এটি শরীরকে উষ্ণ রাখে এবং স্বাদে ঝাঁঝালো। এছাড়া রয়েছে ভেষজ চা, যা তুলসি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। তেঁতুল চা টক-মিষ্টি স্বাদের কারণে একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেয়।

নতুন প্রজন্মের মধ্যে এখন আরও কিছু এক্সপেরিমেন্টাল চা জনপ্রিয় হচ্ছে, যেমন মাল্টা চা, মরিচ চা এবং বিভিন্ন ফিউশন ফ্লেভার পছন্দ করে। এসব চা স্বাদের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()