সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬০%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

দুধ চা থেকে বাবল টি: বাংলাদেশে যত ধরনের চা পান করা হয়

জাতীয় চা দিবসকে ঘিরে ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উঠে আসে দেশে জনপ্রিয় নানা চায়ের কথা: দুধ চা, লাল চা, গ্রিন টি, ভেষজ চা থেকে বাবল টি ও তান্দুরি চা। চা বোর্ডের হিসাবে ২০২৩ সালে দেশে রেকর্ড ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়।

দুধ চা থেকে বাবল টি: বাংলাদেশে যত ধরনের চা পান করা হয়
ফসল

আড্ডা, অবসর কিংবা ক্লান্তি দূর করা, বাংলাদেশের মানুষের দিনের অনেকটা জুড়েই থাকে চা। সকালের নাস্তার পর এক কাপ চা না হলে অনেকের দিন শুরু হয় না, বিকেলের আড্ডাতেও চা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। জাতীয় চা দিবসকে ঘিরে ২০২৬ সালের ২০ জুন জাগো নিউজ ২৪ প্রশ্ন তোলে, দেশে আসলে কত ধরনের চা পান করা হয়। উত্তরটা সহজ নয়, কারণ সময়ের সঙ্গে চায়ের ধরন অনেক বৈচিত্র্যময় হয়েছে: চায়ের দোকানের দুধ চা থেকে শুরু করে শহরের ক্যাফের বাবল টি পর্যন্ত।

দেশের চা আসে কোথা থেকে


যে চা পাতা দিয়ে এসব পানীয় তৈরি হয়, তার বড় অংশই দেশের বাগানে উৎপাদিত। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশের ১৬৮টি চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে শুধু উত্তরাঞ্চলের সমতলের বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন বাগান থেকেই এসেছে ১৭.৯৩ মিলিয়ন কেজি। চা বোর্ড জানায়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের ১৯টি দেশে ২.৪৫ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড চা আইন, ২০১৬ অনুযায়ী পরিচালিত একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। চায়ের উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানি বাড়ানো, নতুন বাগান প্রতিষ্ঠা এবং পরিত্যক্ত বাগান পুনর্বাসন এর প্রধান কাজ। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এই বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠান।

শ্রীমঙ্গলের কাছে একটি চা বাগান, সিলেট বিভাগ। ছবি: Xahidur Reza / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
শ্রীমঙ্গলের কাছে একটি চা বাগান, সিলেট বিভাগ। ছবি: Xahidur Reza / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

দুধ চা আর লাল চা


জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় চা হলো দুধ চা, যা সাধারণত চা পাতা, দুধ ও চিনি দিয়ে তৈরি হয়। চায়ের দোকানে এক কাপ চা চাইলে বেশিরভাগ সময় দুধ চা-ই আসে; এর ঘন স্বাদ আর মিষ্টি ঘ্রাণ সহজেই মানুষকে টানে।

দুধ ছাড়া তৈরি লাল চা বা রং চা স্বাদে হালকা। অফিসগামী মানুষ থেকে শুরু করে সকালে হালকা পানীয় খোঁজেন এমন অনেকের কাছে এটি জনপ্রিয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ হেলথ (এনসিসিআইএইচ) জানায়, সবুজ, কালো ও উলং চা একই গাছ, ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস থেকে আসে; পার্থক্য শুধু প্রক্রিয়াজাত করার পদ্ধতিতে।

চট্টগ্রামে স্টেশনের একটি চায়ের দোকানে চা তৈরি হচ্ছে। ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
চট্টগ্রামে স্টেশনের একটি চায়ের দোকানে চা তৈরি হচ্ছে। ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

গ্রিন টি, সাদা চা ও ভেষজ চা


প্রতিবেদন অনুযায়ী, তরুণদের মধ্যে গ্রিন টি বেশ জনপ্রিয়; ওজন নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে অনেকে চিনি ছাড়া এটি পান করেন। এনসিসিআইএইচের তথ্য বলছে, গ্রিন টি তৈরিতে পাতা ভাপ দিয়ে বা কড়াইয়ে ভেজে শুকানো হয়, গাঁজানো হয় না। গ্রিন টির ক্যাটেচিন ও ক্যাফেইন ওজনের ওপর সামান্য প্রভাব ফেলতে পারে, তবে বেশিরভাগ দাবির বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। পানীয় হিসেবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এর কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা জানা যায়নি, তবে এতে ক্যাফেইন আছে।

সাদা চা বা হোয়াইট টি তৈরি হয় ক্যামেলিয়া সাইনেনসিসের কচি পাতা থেকে, ন্যূনতম প্রক্রিয়ায়: তাজা পাতা নেতিয়ে নিয়ে শুধু শুকানো হয়, পাকানো বা জারিত করা হয় না।

ভেষজ চা তৈরি হয় আদা, তুলসি, লেবু, দারুচিনি বা ক্যামোমাইলের মতো উপাদান দিয়ে। আবহাওয়া বদলের সময়, সর্দি-কাশি বা ক্লান্তিতে অনেকে এটি পান করেন, বৃষ্টির দিনে আদা চা বিশেষ প্রিয়। মনে রাখা দরকার, এগুলো আসলে চা গাছের পাতা নয়, ভেষজের নির্যাস; তাই বেশিরভাগ ভেষজ চায়ে প্রাকৃতিকভাবে ক্যাফেইন থাকে না।

সাদা কাপে গ্রিন টি। ছবি: Douglas P Perkins / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সাদা কাপে গ্রিন টি। ছবি: Douglas P Perkins / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

শহরের নতুন স্বাদ: ফ্লেভার্ড, মসলা, বাবল ও তান্দুরি চা


শহরে লেমন টি, জিঞ্জার টি, মিন্ট টি ও হানি টির মতো ফ্লেভার্ড চায়ের চাহিদা বাড়ছে বলে জানায় জাগো নিউজ; তরুণদের কাছে এসব চা ক্যাফে সংস্কৃতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেরও অংশ। মসলা চা তৈরি হয় আদা, এলাচ, দারুচিনি বা লবঙ্গ দিয়ে। এই চায়ের উৎপত্তি ভারতে; দুধ ও পানিতে কালো চা ফুটিয়ে তাতে মসলা মেশানো হয়।

বাবল টিও এখন তরুণদের মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছে। ১৯৮০-এর দশকে তাইওয়ানে উদ্ভূত এই পানীয়ে সাধারণত থাকে চিবিয়ে খাওয়ার মতো ট্যাপিওকা পার্ল, দুধ ও ফ্লেভার। এসেছে ঘন ও ক্রিমি স্বাদের মালাই চা, আর মাটির ভাঁড়ে পরিবেশন করা তান্দুরি চা। টক-মিষ্টি তেঁতুল চা, মাল্টা চা, মরিচ চা ও নানা ফিউশন ফ্লেভার নিয়েও পরীক্ষা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাপিওকা পার্লসহ এক গ্লাস বাবল টি। ছবি: Lounis Aissaoui / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
ট্যাপিওকা পার্লসহ এক গ্লাস বাবল টি। ছবি: Lounis Aissaoui / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, বাংলাদেশ চা বোর্ড, ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ হেলথ (যুক্তরাষ্ট্র), উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

খাল কাটায় এক ফসলের মাঠে তিন-চার ফসল, বিঘায় ধান ১৮-২০ থেকে ৩০-৩৫ মণ

নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার আইডব্লিউআরএম প্রকল্পে খুলনা, বাগেরহাট, নড়াইল, যশোর ও সাতক্ষীরায় ৯২টি খাল পুনর্খনন হয়েছে; সুফল পাচ্ছেন ৯০ হাজারের বেশি মানুষ।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জলে ডোবা পতিত জমিতে পানিফল, দেওয়ানগঞ্জের কৃষকের বাড়তি আয়

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বছরের দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকা যে জমিতে অন্য ফসল হয় না, সেখানে কম খরচে পানিফল চাষ করে আয় করছেন কৃষকেরা; উপজেলা কৃষি অফিস বলছে এ চাষের ভালো সম্ভাবনা আছে।

ডেইলি বাংলাদেশ৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাত ৩টা থেকে সারিতে দাঁড়িয়েও মিলছে না সার, খুচরায় বস্তায় ২০০-৮০০ টাকা বেশি

কৃষি বিভাগ বলছে সংকট নেই, ডিলাররা বলছেন বরাদ্দ কম; কৃষকেরা ডিলার পয়েন্টে মাসে এক-দুই বস্তা পেয়ে বাকি টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি বাড়তি দামে খুচরা দোকান থেকে কিনছেন।

আজকের পত্রিকা৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)