যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের দুই দলের একদল সদস্য পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থাকে (ইপিএ) ২০২৬ ও ২০২৭ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানি মানদণ্ডের (আরএফএস) পরিমাণগত লক্ষ্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, জৈব জ্বালানি নীতি কৃষকের আয়, গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও জ্বালানির দামের ভিত্তি।
নেব্রাস্কার অ্যাড্রিয়ান স্মিথ ও ইলিনয়ের নিকি বুদজিনস্কির নেতৃত্বে লেখা চিঠিতে কৃষি ও জৈব জ্বালানি উৎপাদনকারী অঙ্গরাজ্যগুলোর কয়েক ডজন আইনপ্রণেতা সই করেছেন। চিঠি পাঠানো হয়েছে ইপিএ প্রশাসক লি জেলডিন ও জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের কাছে। তাতে ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবরের মধ্যে একটি সম্পূরক বিধি জারির অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে আগে ঘোষিত লক্ষ্যের সঙ্গে দায়বদ্ধতা মিল থাকে।
কৃষকের জন্য বিষয়টি চাহিদার। ইথানল ভুট্টার বড় বাজার, আর বায়োডিজেল ও নবায়নযোগ্য ডিজেল সয়াবিন তেলের ক্রমবর্ধমান বাজার। আইনপ্রণেতাদের সতর্কবার্তা, পরিমাণগত লক্ষ্য ও ছোট শোধনাগারের অব্যাহতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাজারের আস্থা কমাতে পারে, ঠিক যখন কৃষকেরা আবাদ, বিপণন ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আগের সরকারি প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কৃষক, কাঁচামাল প্রক্রিয়াকারী ও জৈব জ্বালানি উৎপাদকেরা বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও নিয়োগ করেছেন। দেরি হলে আরএফএসের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিমাণগত লক্ষ্যের সুফল নষ্ট হতে পারে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ আছে, ই১৫ পেট্রল ব্যবহারে ই১০-এর তুলনায় চালকদের গ্যালনপ্রতি গড়ে ৩০ সেন্ট সাশ্রয় হয়, আর বি২০ বায়োডিজেল সাধারণ ডিজেলের চেয়ে গ্যালনপ্রতি প্রায় ১১ সেন্ট সস্তা।
ছবি: Ammodramus / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)