যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের দক্ষিণ হাই প্লেইনস অঞ্চলে সেচের সক্ষমতা কমতে থাকায় চাষিদের আরও কঠিন আর্থিক সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কারণ ভূগর্ভস্থ পানি পুরোপুরি ফুরানোর অনেক আগেই ওগালালা অ্যাকুইফার বা জলাধার কাজের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। লাবকে অল অ্যাগ নিউজকে এ কথা বলেছেন সেরো অ্যাগ স্ট্র্যাটেজিসের প্রতিষ্ঠাতা জন ডাফ।
ডাফের ভাষ্য, হকলি কাউন্টিতে সেচ সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল কয়েক দশক আগে, আর ১৯৬০-এর দশক থেকে তা কমছে। চাষিরা এরই মধ্যে সেচের জমি কমিয়েছেন, ফসল বদলেছেন, কয়েকটি কূপ একসঙ্গে জুড়েছেন এবং বেশি দক্ষ সেচব্যবস্থায় বিনিয়োগ করেছেন।
পরের পদক্ষেপগুলো আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। যে জমিতে এখনও সেচ চলে, তাতে প্রায়ই বড় বিনিয়োগ আছে, যেমন মাটির নিচে বসানো ড্রিপ সেচ, যার খরচ একরপ্রতি প্রায় ১,৫০০ ডলার। কূপ দুর্বল হলে সেই যন্ত্র অকেজো সম্পদে পরিণত হতে পারে এবং খামারের ঋণ শোধের সক্ষমতা কমে যেতে পারে।
ঝুঁকি খামারের সীমানা ছাড়িয়ে যায়, বলছেন ডাফ। ফিডলট, দুগ্ধখামার, ইথানল কারখানা, তুলা জিনিং কারখানা, শস্য গুদাম, যন্ত্রপাতির ডিলার, প্রক্রিয়াজাতকারী, ব্যাংক আর পুরো গ্রামীণ জনপদ হাই প্লেইনসের ভূগর্ভস্থ পানিনির্ভর উৎপাদনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
তাঁর যুক্তি, পানির ব্যবহার আরও কমাতে হলে ভবিষ্যতের সংরক্ষণ কর্মসূচিকে শুধু চাষিকে কম পানি তুলতে বলা নয়, চাষি, তাঁদের ঋণদাতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের অংশীদারদের জন্য আর্থিক মূল্যও তৈরি করতে হবে।
প্রতিবেদনের উপসংহার হলো, জলাধারের পতনের পরের ধাপ সামলাতে এমন আর্থিক সমাধান দরকার হতে পারে, যা খামারের টিকে থাকা ও সেচনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতি দুটোকেই রক্ষা করে। প্রতিবেদনটি করেছেন টনি সেন্ট জেমস।
ছবি: U.S. Geological Survey / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: All Ag News





মন্তব্য
(০)