সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১০ কিমি/ঘবৃষ্টি ২.৮ মিমি

হারিয়ে যাচ্ছে ওষুধি গুণসম্পন্ন নিম গাছ

সুরাইয়া ইয়াসমিন সুমি

পরিবেশ

সুরাইয়া ইয়াসমিন সুমি

নিম গাছ একটি উপকারী উদ্ভিদ। মানুষের নানাবিধ উপকারে গাছটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রকৃতিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। বাড়িতে নিম গাছ রোপণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেই পরিবেশবিদরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। অথচ আমাদের অবহেলায় গাছটি দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে।

নিমের ইংরেজি নাম Neem, বৈজ্ঞানিক নাম Azadirachta indica এবং পরিবার Maliaceae। এটি একটি ওষুধি গাছ। নিমকে নিম্ব, ভেপা, তামারসহ আরও অনেক নামে ডাকা হয়। নিম আমাদের উপকারী বন্ধু। যার ডাল, পাতা, রস সবই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহুবিধ কাজে ব্যবহার হয়। পরিণত নিম গাছের গুড়ি আসবাবপত্র তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়। জানালা-দরজার কাঠামো তৈরিতেও নিম কাঠ ব্যবহার করা হয়।

নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। আকৃতিতে সাধারণত ৪০-৫০ ফুট লম্বা হয়। এর কাণ্ডের ব্যস ২০-৩০ ইঞ্চি। ডালের চারদিকে ১০-১২ ইঞ্চি যৌগিক পাতা জন্মে। এদের পাতা সাধারণত কাস্তের মতো বাঁকানো থাকে। পাতার কিনারায় ১০-১৭টি করে খাঁজযুক্ত অংশ থাকে। পাতা ২.৪-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়।

নিম গাছে এক ধরনের ফল হয়; যেটা আঙুরের মতো দেখতে। এই ফলের একটিমাত্র বীজ থাকে। জুন-জুলাইতে এই ফল পাকে এবং কাঁচা অবস্থায় এর স্বাদ তেঁতো হয়। তবে পেকে হলুদ হওয়ার পর মিষ্টি হয়। প্রাপ্তবয়স্ক হতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগে। যে কোনো মাটিতে এটি স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে ওঠে। খোলামেলা জায়গায়, রাস্তার পাশে বেশি দেখা যায়।

উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে এটি ভালো হয়। মাটির পিএইচ ৬.২-৮.৫ এবং বৃষ্টিপাত ১৮-৪৬ ইঞ্চি ও ১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা নিম গাছের জন্য উপকারী। নিম ফুলের মধু অন্য ফুলের মধুর তুলনায় বেশি পুষ্টিকর ও ওষুধি গুণসম্পন্ন। বসন্ত ও বায়ু শোধনকারী হিসেবে সেরা।

নিম মাটির ক্ষয় ও মরুময়তা রোধ করে। নদীভাঙন ঠেকাতেও এই গাছের ভূমিকা অনেক। প্রসাধনী সামগ্রী তৈরিতেও নিম গাছ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিমের তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালানো যায়। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকরী। বাদ্যযন্ত্র তৈরিতেও প্রাচীনকালের মানুষ নিম গাছ ব্যবহার করতো।

এ গাছের কাঠ খুবই শক্ত হয়। কখনো ঘুণ ধরে না, পোকা বাসা বাঁধে না। এমনকি উঁইপোকাও খেতে পারে না। দাঁতের মাড়ি শক্ত করার কাজে নিমের ডাল ভীষণ উপকারী। অযত্ন-অবহেলায় বেড়ে ওঠে এই গাছ। দিন দিন যেন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে উপকারী ওষুধি গুণসম্পন্ন গাছটি। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশি বেশি নিম গাছ রোপণ করতে হবে।

লেখক: সম্মান তৃতীয় বর্ষ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি বিএল কলেজ, খুলনা।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()