ছবি, ভিডিও আর অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছেও অনেকের ফোনে জায়গা মেলে না, বিশেষ করে বছরের পর বছর এক ফোন থেকে আরেক ফোনে তথ্য সরালে। প্রযুক্তি সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের এক প্রতিবেদনের বরাতে দেশ রূপান্তর অ্যান্ড্রয়েড ফোনে জায়গা খালি করার কয়েকটি উপায় তুলে ধরেছে। তবে ব্র্যান্ড ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণভেদে সেটিংসের নাম ও অবস্থান কিছুটা আলাদা হতে পারে।
প্রথম কাজ অব্যবহৃত অ্যাপ সরানো। সেটিংসে ‘ডিভাইস কেয়ার’ থেকে ‘স্টোরেজ’ ও ‘অ্যাপস’-এ গেলে কোন অ্যাপ কত জায়গা নিচ্ছে দেখা যায়, অপ্রয়োজনীয়টি ‘আনইনস্টল’ করা যায়। পুরো মুছতে না চাইলে ‘আর্কাইভ’ করা যায়: লগইন ও সেটিংস থেকে যায়, পরে আবার নামানো যায়। গুগল প্লে স্টোরের সেটিংসে ‘জেনারেল’ থেকে ‘অটোমেটিক্যালি আর্কাইভ অ্যাপস’ চালু রাখলে জায়গা কমে এলে কম ব্যবহৃত অ্যাপ নিজে থেকেই আর্কাইভ হয়; গুগলের তথ্যমতে এতে একটি অ্যাপের জায়গার প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত খালি হতে পারে।
সবচেয়ে বেশি জায়গা নেয় ছবি ও ভিডিও। মোছার আগে গুগল ফটোজে ব্যাকআপ রাখা ভালো; প্রতিটি গুগল অ্যাকাউন্টে বিনা মূল্যে ১৫ গিগাবাইট পাওয়া যায়, যা ফটোজ, ড্রাইভ ও জিমেইলে ভাগ হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুগল ওয়ানে ১০০ গিগাবাইট মাসে ২ ডলার, ২০০ গিগাবাইট মাসে ৩ ডলার, তবে দাম অঞ্চলভেদে বদলাতে পারে। ব্যাকআপের পর ফটোজের ‘ফ্রি আপ স্পেস অন দিস ডিভাইস’ চাপলে ফোন থেকে কপিগুলো সরে যায়, ক্লাউডে থেকে যায়।
এরপর ‘ডিভাইস কেয়ার’-এর স্টোরেজ বিভাগে ‘ডুপ্লিকেট ফাইলস’ ও ‘লার্জ ফাইলস’ খুঁজে দেখা যায়; পুরোনো ডাউনলোডও অনেক জায়গা নেয়। কোনো ফাইল মোছার আগে সেটি দরকারি কি না যাচাই করে নেওয়া জরুরি, কারণ নথি বা কাজের ফাইল ভুলে মুছলে ফেরত পাওয়া কঠিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিওর অ্যাপে জমা ক্যাশে পরিষ্কার করতে সেটিংসের ‘অ্যাপস’ থেকে অ্যাপ বেছে ‘স্টোরেজ’-এ গিয়ে ‘ক্লিয়ার ক্যাশে’ চাপতে হয়। ‘ক্লিয়ার ডেটা’ কিন্তু আলাদা জিনিস, এতে অ্যাপের সংরক্ষিত তথ্য ও সেটিংস মুছে যেতে পারে।
শেষ ধাপ ট্র্যাশ খালি করা। মোছা ছবি-ফাইল অনেক সময় নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গ্যালারি বা ফাইল ম্যানেজারের ট্র্যাশে থেকে জায়গা দখল করে রাখে; দরকার নেই নিশ্চিত হলে সেখান থেকে স্থায়ীভাবে মুছে দিন।
ছবি: Sergey solom / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: দেশ রূপান্তর



মন্তব্য
(০)