সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস কিমি/ঘ

১২০০ টাকা কেজি দরে ভারতে গেলো ৫৪ টন ইলিশ

বেনাপোল বন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ৫৪ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে গেলো। প্রতি কেজি মাছের রপ্তানি মূল্য পড়ছে ১০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২০০ টাকা প্রতি কেজি রপ্তানি মূল্য।

মৎস্য

বেনাপোল বন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ৫৪ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে গেলো। প্রতি কেজি মাছের রপ্তানি মূল্য পড়ছে ১০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২০০ টাকা প্রতি কেজি রপ্তানি মূল্য।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল মৎস্য অফিসের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিপত্র নিয়ে ইলিশের চালান বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্দরে আসার পর মান নিয়ন্ত্রণ যাচাই করে ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। আজ প্রথম চালানে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৫৪ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় কোনো ইলিশ রপ্তানি হবে না। শনিবার আবার হবে। তবে রোববার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ইলিশ নিতে আগ্রহী হলে রপ্তানি করা হবে। মূলত রোববার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোনো মাছই আমদানি-রপ্তানি করেন না।

এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর ৪৯ রপ্তানিকারককে ২৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানিতে ছাড়পত্র দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ৪৮ জনকে ৫০ মেট্রিক টন করে ও একজনকে ২০ মেট্রিক টন মাছ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। এই অনুমতির মেয়াদ আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। উৎসবের মৌসুমে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে পদ্মার ইলিশ যেতো। আগের সরকারগুলো একে বলত, 'উপহারের ইলিশ'। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ভারতে ইলিশ পাঠানো নিয়ে কঠোর মনোভাবের কথা জানায়। পরে অবশ্য অবস্থান পরিবর্তন করেছেন তারা।

বন্দর সংশিষ্টরা জানান, ২০১২ সালে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ হয়েছিল। পরে আবার শুরু হয়। গত বছর রপ্তানির অনুমতি ছিল ৩ হাজার ৯০০ মেট্রিন টন। এ বছর অনুমতি মিলেছে প্রায় আড়াই হাজার টনের। জানা যায়, কলকাতার ভারতীয় মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এফআইএ) থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। পরে বিশেষ বিবেচনায় সরকার ভারতে ২৪২০ মেট্রিক টন রপ্তানির অনুমতি দেয়। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে রপ্তানি শুরু হয়। সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলছেন ইলিশ রপ্তানিতে দুই দেশের মধ্যে সু-সম্পর্ক বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।

তবে বিশেষ বিবেচনায় কেবল দুর্গাপূজার ইস্যুতে ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয়। গত বছর রপ্তানির অনুমতি ছিল ৩ হাজার ৯০০ মেট্রিন টনের। রপ্তানি করা হয় মাত্র ৬৩১ মেট্রিক টন ২৪০ কেজি ইলিশ। তবে এবারও সম্পূর্ণ ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে না বলে কয়েকজন অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানের মালিক জানিয়েছেন। বাজারে ইলিশের দাম চড়া। তারপরও রপ্তানি খবরে মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় ইলিশ পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ রয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার অথেলো চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা ১০ মার্কিন ডলার মূল্যে প্রতি কেজি ইলিশ সরবরাহ করছেন। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য প্রায় ১২০০ টাকা। রাত ৮টা পর্যন্ত ১০টি প্রতিষ্ঠান সাড়ে ৫৪ মেট্রিক টন ইলিশ বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ভারতে রপ্তানি করেছেন।

মো. জামাল হোসেন/জেএইচ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()