দেশের মাটিতে বিদেশি ফল!
যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই দেশের কৃষিতে ফসল বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চলের উচ্চমূল্যের ফল, নানা জাতের সবজি ও উদ্যান ফসল নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে কৃষিতে।
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার মানিকপুর গ্রামে গড়ে উঠেছে উদ্যোক্তা সজল আহমেদের ব্যতিক্রমী ফলের বাগান। এখানে তিনি দেশ–বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের ফলগাছ নিয়ে গবেষণা করছেন—বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ুতে কোন ফল কতটা উৎপাদন উপযোগী, সেটিই তার মূল লক্ষ্য।
বাগানজুড়ে মাল্টা, কমলা, কাঁঠালসহ রয়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক ফলের জাত। শীতের রোদে কমলা রঙের ফলভরা বাগান যেন চোখে পড়ার মতো এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি করে। এই উদ্যোগের পেছনে যেমন রয়েছে বাণিজ্যিক ভাবনা, তেমনি রয়েছে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় ফল চাষকে সমৃদ্ধ করার স্বপ্ন।
তবে নতুন ফল চাষে ঝুঁকিও কম নয়। বাজার ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন জ্ঞান ও বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়া বড় বিনিয়োগ লোকসানের কারণ হতে পারে—নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই সে কথাই তুলে ধরেছেন সজল আহমেদ।
এই প্রতিবেদন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—উচ্চমূল্যের ফল চাষে সফল হতে হলে প্রয়োজন গবেষণা, পরিকল্পনা, আধুনিক চাষপদ্ধতি এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ। সচেতন কৃষক ও সুপরিকল্পিত বিনিয়োগই পারে এই খাতকে এগিয়ে নিতে।





মন্তব্য
(০)