সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

একমণ সমান ৫৪ কেজি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কানসাট বাজারে আমের ওজন নিয়ে আবারও অভিযোগ উঠেছে। বাজারে প্রচলিত এক মণ ৪০ কেজির পরিবর্তে ৫৪-৫৫ কেজি ধরে ক্রয় করছেন আড়তদাররা।

ফল

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কানসাট বাজারে আমের ওজন নিয়ে আবারও অভিযোগ উঠেছে। বাজারে প্রচলিত এক মণ ৪০ কেজির পরিবর্তে ৫৪-৫৫ কেজি ধরে ক্রয় করছেন আড়তদাররা।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সরেজমিনে কানসাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে কৃষক ও বাগান মালিকরা পিকআপ, ভ্যান ও ছোট ট্রাকে করে আম নিয়ে বাজারে আসছেন। বিক্রি হচ্ছে আগাম জাতের বিভিন্ন আম। পাইকার ও আড়তদারদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার। তবে আম বিক্রি করতে এসে ওজনের হিসাব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন অধিকাংশ চাষি।

চাষিদের অভিযোগ, দেশে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক মণ সমান ৪০ কেজি হলেও কানসাট বাজারে আড়তদাররা দীর্ঘদিন ধরে ৫৪ কেজিকে এক মণ হিসেবে ধরে আম কিনছেন। অর্থাৎ প্রতি মণে কৃষকদের অতিরিক্ত প্রায় ১৪-১৫ কেজি আম দিতে হচ্ছে। যা তাদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় আম চাষি আব্দুর রব জানান, বছরের পর বছর ধরে তারা এ নিয়ম মেনে আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। বাজারে এসে দরদাম করার পর ওজনের সময় অতিরিক্ত আম দিতে হয়। কেউ প্রতিবাদ করলে সমস্যায় পড়তে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই এ অনিয়ম মেনে নিতে হয়।

শফিকুল ইসলাম নামের আরেক চাষি বলেন, চলতি মৌসুমে বাগান পরিচর্যা, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিকের মজুরি ও পরিবহন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। একটি বাগান পরিচর্যা করতে কয়েক মাস ধরে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। তার ওপর যদি ওজনে অতিরিক্ত দিতে হয়, তাহলে লাভ তো দূরের কথা, মূলধন তুলতেই হিমশিম খেতে হবে।

রিপন আলী নামের এক চাষি বলেন, বাজারে যদি ৪০ কেজির পরিবর্তে ৫৪ কেজিতে এক মণ ধরা হয়, তাহলে প্রতি ট্রাকে কয়েক মণ আম অতিরিক্ত যায়। এতে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

অন্যদিকে কয়েকজন আড়তদার ও ব্যবসায়ী বলছেন, এটি অনেক পুরোনো বাজার ব্যবস্থা। পরিবহন, প্যাকেজিং ও বাজার ব্যবস্থাপনার বিষয় বিবেচনায় রেখেই এ হিসাব চালু হয়েছে।

মামুন রহমান ও শরিফুল নামের দুই আড়তদার বলেন, আম হচ্ছে কাঁচা ফল। রাস্তায় যেতে ওজন কমে যায়। এজন্য ১৪ কেজি বেশি নেওয়া হয়। তবে দাম কম দেওয়া হয় না।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। এক মণে ৪০ কেজি বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক ইয়াসিন আলী বলেন, এখনো কানসাট বাজারে ওজনে বেশি নেওয়া হচ্ছে। এ অভিযোগ পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোহান মাহমুদ/এএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()