সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

এক বছর বয়সী শিশুর কামড়ে সাপের মৃত্যু

বর্ষার সময়ে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু- এ ধরনের খবর আশ্চর্যের কিছু না। কিন্তু শিশুর কামড়ে সাপের মৃত্যু? ঠিকই পড়েছেন, শিরোনামটায় কোনো ভুল নেই, একটি শিশু আস্ত একটা সাপকে কামড়ে মেরে ফেলেছে। তাও আবার কোবরা। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যে।

পরিবেশ

বর্ষার সময়ে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু- এ ধরনের খবর আশ্চর্যের কিছু না। কিন্তু শিশুর কামড়ে সাপের মৃত্যু? ঠিকই পড়েছেন, শিরোনামটায় কোনো ভুল নেই, একটি শিশু আস্ত একটা সাপকে কামড়ে মেরে ফেলেছে। তাও আবার কোবরা। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যে।

'ওর মা তখন ঘরের পেছন দিকে কাজ করছিল। চুলা জ্বালানোর কাঠগুলো গুছিয়ে রাখছিল। পাশেই খেলছিল গোবিন্দ। তখনই সাপটা বেরিয়ে আসে।

সাপ দেখেই গোবিন্দ সেটাকে ধরে এক কামড় বসিয়ে দেয়। তখন আমরা সবাই খেয়াল করি যে ওটা একটা গেহুঁওন সাপ,' বলেন মতিসারি দেবী। কোবরা সাপকে স্থানীয় ভাবে গেহুঁওন সাপ বলা হয় বিহারের ওই অঞ্চলে।

আরও পড়ুন>>

মতিসারি দেবীর এক বছর বয়সী নাতি গোবিন্দ গত বৃহস্পতিবার একটা আস্ত কোবরা সাপ কামড়ে মেরে ফেলে এখন খবরের শিরোনামে চলে এসেছে।

বিহারের পশ্চিম চম্পারন জেলার এক ছোট গ্রাম মোহছি বনকাটোয়ার বাসিন্দা গোবিন্দর পরিবার। তার বাবা সুনীল সাহ গ্রামে ঘুরে ঘুরে আইসক্রিম বিক্রি করেন।

মতিসারি দেবী বলেন, দাঁত দিয়ে সাপটাকে কামড় দেওয়ার পর কিছুক্ষণের জন্য অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল গোবিন্দ। ওকে আমরা প্রথমে মঞ্ঝোলিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ওকে বেতিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাই। এখন বাচ্চা সুস্থ আছে।

মঞ্ঝোলিয়ার স্থানীয় সাংবাদিক নেয়াজ বলছিলেন, শিশুটি শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে গেছে। ওকে নিয়ে সবাই খুব আলোচনা করছে। শ্রাবণ মাসে সাপ বেরোনো খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু এমন ঘটনা আমাদের এলাকায় প্রথম হলো।

এক বছরের শিশু গোবিন্দকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেতিয়া সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তার চিকিৎসা করেন শিশুরোগ বিভাগের ডা. কুমার সৌরভ।

তার কথায়, শিশুটিকে যখন ভর্তি করার জন্য আনা হয়েছিল, তখন ওর চেহারা একটু ফুলে গিয়েছিল। মুখের আশপাশটা ফোলা ছিল। বাড়ির লোক আমাদের জানায় যে, সাপের মুখের পাশে কামড় দিয়েছিল শিশুটি আর সাপের দেহের কিছুটা বোধহয় খেয়েও ফেলেছিল।

'আমার হাতে একই সময় দুটি শিশু রোগী ছিল তখন। একটি শিশুকে কোবরা সাপ কেটেছিল আর এই শিশুটি সাপকেই কামড়ে দিয়েছিল। দুটি শিশুই সম্পূর্ণ সুস্থ আছে,' বলেন ডা. সৌরভ।

তিনি আরও জানান, কোবরা সাপ যখন মানুষকে ছোবল মারে তখন তার বিষ আমাদের রক্তে চলে যায়। রক্তে বিষ মিশে যাওয়ার ফলে নিউরোটক্সিসিটি হয়, আমাদের স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে। এর থেকে মৃত্যুও হতে পারে।

'আবার যখন কোনো মানুষ কোবরা সাপকে কামড়িয়ে দেয়, তখন মুখ দিয়ে ওই বিষ আমাদের পাচন তন্ত্রে চলে যায়। মানবদেহ ওই বিষকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়, আর বিষটা বেরিয়ে যায়। অর্থাৎ সাপের বিষ দুভাবে কাজ করে। এক হলো বিষ আমাদের স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে, অন্যটি হলো মানবশরীর বিষটি নিষ্ক্রিয় করে দেয়,' ব্যাখ্যা করেন ডা. সৌরভ।

কিন্তু কোনো মানুষ যদি সাপকে কামড়ে দেয় আর সেই ব্যক্তির খাদ্যনালীতে কোনো আলসার বা অন্য ক্ষতস্থান থাকে যা থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর সারা পৃথিবীতে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ ৩০ হাজার পর্যন্ত মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান।

ভারতে ওই সংখ্যাটা প্রায় ৫৮ হাজার। এজন্যই ভারতকে 'সর্প-দংশনের রাজধানী' বলা হয়ে থাকে।

বিহারের রাজ্য স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাপনায় দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত রাজ্যটিতে সাপের কামড়ে ৯৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ওই একই সময়কালে সাপের ছোবল খেয়ে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা করাতে এসেছেন ১৭ হাজার ৮৫৯ জন।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পুরো দেশে সাপের ছোবল খেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা 'কমিয়ে দেখানো হয়েছে'।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন বলছে, সাপে কাটা বেশিরভাগ রোগীই হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছতে পারছেন না। তাই কত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে সাপের কামড়ে, সেই সংখ্যা জানা যায় অনেকটাই কম।

সাপের কামড়ে মৃত্যুর ৭০ শতাংশ ঘটনাই বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্য প্রদেশ, উড়িষ্যা, উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান আর গুজরাটে ঘটে।

সূত্র: বিবিসি বাংলাকেএএ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()