তরুণ প্রজন্ম দারুণভাবে আগ্রহী হয়ে উঠছে কৃষিতে। দেশের অধিকাংশ এলাকায় বাণিজ্যিক কৃষি কিংবা প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সফলতায় এগিয়ে আছে শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তা। তরুণ উদ্যোক্তারা তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিতে সাফল্য আনার চেষ্টা করছে। উন্নত বিশ্বের ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে গ্রিন হাউস কিংবা পলিনেট হাউজে চাষবাদ। কৃষক এখন মাটির পরিবর্তে কোকোপিট ব্যবহার করে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে ফসল আবাদ করছে।
প্রিয় দর্শক, এটি টাংগাইলের মধুপুরের চিত্র। বছর দশেক আগেও এই এলাকায় কৃষির বৈচিত্র ছিল অনেকটাই অধরা। এক আনারস নিয়েই ছিল নানা ভাবনা। কিন্তু মৌসুমে শত শত টন আনারস নষ্ট হতো যোগাযোগ ও বাজারজাতকরণের অসুবিধায়। এখন সময়ের প্রয়োজনেই কৃষক বৈচিত্রময় কৃষিতে হাত বাড়িয়েছে। আর এমন চিত্র বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকায়। শিক্ষিত তরুণরা চাকরি বা অন্য পেশার দিকে না তাকিয়ে ভাবছে কৃষিতে এগিয়ে নেয়ার কথা। সত্যিই এটি খুব আশা জাগানিয়া চিত্র। ভেতরে ভেতরের খুব দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে কৃষি। প্রসার ঘটছে বাণিজ্যিক কৃষির। তবে এই সাফল্যকে ধরে রাখতে প্রয়োজন আগামীর কৃষি উপযোগী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। যাতে তরুণ উদ্যোক্তারা তাদের স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পানাকে আরো সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদী করতে পারে।





মন্তব্য
(০)