সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

ডিজেল সংকটে সৌরবিদ্যুতের নলকূপই কৃষকের ভরসা

নড়াইল সদর উপজেলায় বোরো ধানের ক্ষেতে সেচ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ চালিত নলকূপ। এতে গ্রামের কৃষকদের সেচ খরচ যেমন কমেছে; তেমনই পানির সরবরাহও নিশ্চিত হয়েছে। ফলে তাদের নেই ডিজেল বা বিদ্যুতের চিন্তা। কম খরচে চাহিদামতো পানি পাওয়ায় খুশি তারা।

পরিবেশ

নড়াইল সদর উপজেলায় বোরো ধানের ক্ষেতে সেচ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ চালিত নলকূপ। এতে গ্রামের কৃষকদের সেচ খরচ যেমন কমেছে; তেমনই পানির সরবরাহও নিশ্চিত হয়েছে। ফলে তাদের নেই ডিজেল বা বিদ্যুতের চিন্তা। কম খরচে চাহিদামতো পানি পাওয়ায় খুশি তারা।

কৃষকেরা জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের দুটি বিলে সোলার প্যানেলের সাহায্যে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। শুরুতে অনেকের মধ্যে সংশয় থাকলেও এখন এ পদ্ধতির সুফল পাচ্ছেন সবাই।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ক্লাইমেট স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের ২ বিলে সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচপাম্প (অগভীর নলকূপ) স্থাপন করা হয়েছে। এসব পাম্প থেকে দৈনিক ১৬ ঘণ্টায় ৮ লাখ লিটার পানি তোলা সম্ভব। এর মাধ্যমে বোরো মৌসুমে তিনদিন পরপর সেচ দিলে মাটিভেদে ৫০-৬০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া যায়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টায় ৮৮ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে। একইসঙ্গে ২৪ লিটার ডিজেল সাশ্রয় হচ্ছে। যা কৃষকদের ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার দিকে বড় একটি পদক্ষেপ।

সরেজমিনে জানা যায়, এলাকায় বোরো মৌসুমে পানির কোনো সংকট নেই। অবিরাম চলছে পানির প্রবাহ। মাঠজুড়ে সবুজ ধানের চারা বাতাসে দোল খাচ্ছে। কোনো কোনো জমিতে সেচ দিয়ে পাটের বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। নিয়মিত পানির সরবরাহ থাকায় জমির উর্বরতাও ভালো থাকছে বলে জানান কৃষকেরা।

চাচড়া গ্রামের কাইদুল বিশ্বাস বলেন, 'সোলার পাম্পের কারণে আমরা কম খরচে বোরো আবাদে সেচ দিতে পারছি। আমাদের ডিজেলের জন্য পাম্পে গিয়ে লাইন দিতে হচ্ছে না। বোরো মৌসুমে অন্যান্য জায়গায় কৃষকেরা সেচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে। তবে আমাদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই।'

কৃষকেরা জানান, সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্পের মাধ্যমে এলাকার অনেকেই সহজে সেচ দিতে পারছেন। ধান ছাড়াও পাট ও শাক-সবজিতে সেচ দেওয়া হচ্ছে। সৌর পাম্পে শ্যালো মেশিনের তুলনায় অনেক গুণ লাভ।

মিতনা গ্রামের বিবেক কুমার বলেন, 'অনেকে ৭০০ টাকার শ্রম বাদ দিয়ে ধান বাঁচাতে ২০০ টাকার ডিজেল আনতে পাম্পে লম্বা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। তেলের লিটার ২০০ টাকা, তা-ও সময়মতো পাচ্ছি না। বোরো আবাদে সৌর পাম্পের মাধ্যমে সেচ দেওয়ায় কোনো চিন্তা নেই। সূর্যের আলো থেকে সব হচ্ছে। বিদ্যুতের প্রয়োজন নেই। তেলের দরকার নেই। সরকারের প্রতি দাবি, কৃষকদের জন্য এ রকম সৌর পাম্প প্রত্যেক মাঠে স্থাপন করা হোক। যাতে বোতল নিয়ে পাম্পে গিয়ে বসে থাকা না লাগে।'

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. আরিফুর রহমান বলেন, 'জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এ প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত দুটি সোলার পাম্প বর্তমানে কৃষকেরা যৌথভাবে পরিচালনা করছেন।'

তিনি বলেন, 'বর্তমানে ২-৩ দিন পরপর প্রায় ৬০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এ ধরনের ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমবে এবং তারা উপকৃত হবেন।'

হাফিজুল নিলু/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()