ফেনীর মানুষ এমন বন্যা কখনও দেখেনি। অনেকেই এখন পর্যন্ত ফিরতে পারেনি নিজের ঘরে। যারা ফিরেছেন তাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে নতুনসব দুঃসহ অভিজ্ঞতার। বেড়েছে নতুন ব্যাস্ততা। আঙ্গিনা জুড়ে ভেজা তোষক, কাঁথা, বালিশ, আসবাব শুকানোর চেষ্টা চলছে। আকস্মিক অথৈ পানি নেমে গেলেও তার ভেজা চিহ্ন রেখে গেছে এখানে সেখানে। রেখে গেছে ভয়াল দিনের স্মৃতি।
কারো কারো চোখের জলও যেন ফুরিয়ে গেছে। বুকে কান্না জমে গিয়ে পাথর হয়ে আছে। ঘরে, বাজারে, দোকানে সবখানে মানুষের হাহাকার। যা ছিলো, থেকেও সব হারিয়ে গেছে। অকেজো হয়ে গেছে বন্যার পানিতে।
পানি নামার সাথে সাথে গভীর ক্ষত দেখা যাচ্ছে কৃষি মাঠের। কৃষকের যা ছিলো সবই খেয়ে গেছে বন্যার পানি, সব কিছু পঁচে গেছে। চারদিকে দুর্গন্ধ। এসবের মাঝে মিশে আছে শস্যের শ্যামল স্মৃতি।
এই দৃশ্য পূর্বে ধারণ করা ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের জান্নাত অ্যাগ্রো নামের সম্ভাবনাময় একটি খামারের। দিন বিশেক আগেও এখানে ফল-ফসলের সমৃদ্ধি ছিলো। ২১ আগস্টে বন্যার অকস্মাৎ তোড়ে তলিয়ে গিয়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন এমন বিধ্বস্ত চারপাশ।
কৃষিতে সাফল্য খুঁজতে তিন বন্ধু কোটি টাকা বিনিয়োগে ১০ একর জমিতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন সমন্বিত ফল-ফসল উৎপাদনের। গাছগুলো ফলে ফলে ভরে উঠেছিলো। বন্যায় সব হারিয়ে এখন সর্বশান্ত।





মন্তব্য
(০)