যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) ৮ অক্টোবর জানিয়েছে, ২০২৬ সালে সংরক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য কৃষক ও জমির মালিকদের প্রায় ১৮০ কোটি ডলার (১.৮ বিলিয়ন ডলার) দেওয়া হচ্ছে। অর্থটি যাচ্ছে কনজারভেশন রিজার্ভ প্রোগ্রাম (Conservation Reserve Program, সিআরপি) থেকে।
এই অর্থ মূলত বার্ষিক ভাড়া। যে কৃষক বা খামারি জমি থেকে ফসল চাষ সরিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে ঘাস বা অন্য সংরক্ষণমূলক আচ্ছাদন রাখেন, তাঁরা এই ভাড়া পান। সাধারণ সিআরপির পাশাপাশি আছে গ্রাসল্যান্ড সিআরপি, যেখানে ঘাসজমি সংরক্ষণের সঙ্গে বেশির ভাগ পশু চরানো ও খড় কাটার কাজও চালিয়ে যাওয়া যায়।
এ বছর বৃদ্ধিটা চারণভূমিতেই। ইউএসডিএর ফার্ম সার্ভিস এজেন্সি (এফএসএ) গ্রাসল্যান্ড সিআরপিতে প্রায় ১০ লাখ একর নতুন জমির প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এতে চারণভূমি ও পশুখাদ্যের মাঠ চরানোর উপযোগী রাখতে ভাড়া ও খরচ ভাগাভাগির সহায়তা মিলবে। ২০২৬ সালের নথিভুক্তির পর সিআরপির মোট জমির ৪০ শতাংশের বেশি হবে গ্রাসল্যান্ড সিআরপি। বিভাগটি এই অর্থকে গবাদিপশুর পাল পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নেওয়া তাদের র্যাঞ্চার্স ফার্স্ট উদ্যোগের অংশ বলছে।
কৃষিমন্ত্রী ব্রুক এল. রলিন্স (Brooke L. Rollins) বলেন, আজকের ঘোষণা খামারিদের জন্য প্রায় ১০ লাখ একর চারণভূমি সুরক্ষিত রেখে গবাদিপশুর পাল পুনর্গঠনের কাজে সহায়তা করবে। খামার উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি রিচার্ড ফোর্ডাইস (Richard Fordyce) জানান, সংরক্ষণ কর্মসূচিতে নাম লেখানো ছিল কঠিন প্রতিযোগিতার বিষয়।
২০২৭ অর্থবছরে সিআরপিতে মোট ২ কোটি ৬৮ লাখ একর জমি নথিভুক্ত থাকবে। ২০২৬ সালের গ্রাসল্যান্ড, জেনারেল ও কন্টিনিউয়াস সাইনআপে এফএসএ ২২ লাখ একরের প্রস্তাব গ্রহণ করার পর এই হিসাব দাঁড়িয়েছে। এ বছর সিআরপির অর্থ পাওয়ায় শীর্ষ পাঁচ অঙ্গরাজ্য আইওয়া, ইলিনয়, মিনেসোটা, সাউথ ডাকোটা ও মিসৌরি।
ইউএসডিএর ভাষ্য, এই কর্মসূচি মাটির ক্ষয় কমায়, পানির মান উন্নত করে এবং বন্যপ্রাণীর আবাস বাড়ায়। বছরে বছরে পাওয়া ভাড়া অংশগ্রহণকারীদের একটি স্থির আয় দেয়, যা খামারের আয়ে স্থিতি আনে। বিস্তারিত তথ্য fsa.usda.gov/crp ঠিকানায় বা স্থানীয় এফএসএ কাউন্টি অফিসে পাওয়া যাবে।
সূত্র: ইউএসডিএ





মন্তব্য
(০)