সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

কাউন্টি পর্যায়ের ফসল হিসাব তৈরিতে কৃষকের তথ্য চাইছে ইউএসডিএ

যুক্তরাষ্ট্রে কাউন্টি পর্যায়ে সরকারি ফসল হিসাবের একমাত্র ভিত্তি যে জরিপ, সেই বার্ষিক কাউন্টি অ্যাগ্রিকালচারাল প্রোডাকশন সার্ভে শুরু করেছে এনএএসএস।

ফসল

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ বাছাই করা কৃষকদের কাছে তাদের বার্ষিক কাউন্টি অ্যাগ্রিকালচারাল প্রোডাকশন সার্ভের (ক্যাপস) ফরম পাঠাতে শুরু করেছে। দেশটিতে কাউন্টি পর্যায়ে প্রতি বছর যে সরকারি ফসল হিসাব প্রকাশ করা হয়, এই জরিপই তার একমাত্র ভিত্তি। জরিপ পরিচালনাকারী ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস (এনএএসএস) ১২ আগস্ট জানিয়েছে, কৃষকের দেওয়া তথ্যের ওপরই নির্ভর করছে স্থানীয় ফলনের হিসাব কতটা নির্ভুল হবে।

এনএএসএস প্রশাসক জোসেফ এল পারসনস বলেন, “প্রতি বছর সারা দেশের উৎপাদকরা ইউএসডিএর কাউন্টি ফসল হিসাব দেখে নিজেদের ফলন মেলান, আবাদের পরিস্থিতি বোঝেন এবং ব্যবসার সিদ্ধান্ত নেন।” তিনি জানান, অঙ্গরাজ্যভেদে এই জরিপ ভুট্টা, সয়াবিন, গম, তুলা, চীনাবাদাম, ধান, জোয়ার, বার্লি, ওটসহ নানা ফসলের কাউন্টি হিসাব তৈরিতে কাজে লাগে।

এই হিসাবের ব্যবহারকারী কেবল কৃষক নন। এনএএসএস বলছে, ঋণদাতা, ফসল পরামর্শক, বিমা প্রতিষ্ঠান, জমির মালিক, কৃষি ব্যবসা, গবেষক এবং খোদ কৃষি বিভাগ এই সংখ্যা দেখে বোঝে কোনো এলাকায় আবহাওয়া ও আবাদের পরিস্থিতি ফসলের ওপর কী প্রভাব ফেলেছে।

সংস্থাটি অবশ্য কেবল জরিপের ওপর দাঁড়িয়ে হিসাব তৈরি করে না। কৃষকের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে ইউএসডিএর ফার্ম সার্ভিস এজেন্সি ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির কাছে থাকা জমির হিসাব মেলানো হয়, তার সঙ্গে যোগ হয় মাটির উৎপাদনক্ষমতার তথ্য ও পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি। শেষে ফল মিলিয়ে দেখা হয় অঙ্গরাজ্যের সরকারি হিসাবের সঙ্গে, যাতে দুই স্তরের সংখ্যায় গরমিল না থাকে।

তবু, এনএএসএস বলছে, নিজের কাউন্টিতে কতটা জমির ফসল ঘরে উঠল, উৎপাদন ও ফলন কত হলো — সেই সদ্যতম বাস্তব তথ্য কেবল কৃষকই দিতে পারেন। বাছাই করা কৃষকরা ডাকে ফরম পাচ্ছেন; ফরমে ছাপা কোড দিয়ে অনলাইনে অথবা ডাকে তা ফেরত পাঠানো যায়। সংস্থার প্রতিনিধিরা ফোনও করছেন, প্রয়োজনে সশরীরে গিয়েও সাহায্য করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এনএএসএস প্রতিটি তথ্য গোপন রাখতে বাধ্য এবং তা কেবল পরিসংখ্যানের কাজেই ব্যবহার করতে পারে। প্রকাশিত কোনো প্রতিবেদনে একজন কৃষক বা একটি খামারকে আলাদা করে চেনা যায় না, নিয়ন্ত্রক বা প্রয়োগকারী কোনো সংস্থার হাতেও তথ্য যায় না। জরিপের ফল ডিসেম্বরে কুইক স্ট্যাটস ডেটাবেজে প্রকাশ করা হবে।

বাংলাদেশের পাঠকের কাছে এর গুরুত্ব পরোক্ষ, কিন্তু বাস্তব। কাউন্টির এই তথ্যই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ফসল হিসাবের ভিত্তি, আর সেই হিসাব বিশ্ববাজারে ভুট্টা, গম, সয়াবিন ও তুলার দাম নাড়িয়ে দেয় — যে দাম দেশের পশুখাদ্য ও ভোজ্যতেল আমদানির খরচ ঠিক করে দেয়।

সূত্র: ইউএসডিএ ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস

nass-usdaদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()