ভারতের উত্তর প্রদেশে নতুন আগাম পাকা আখের জাত সিওএস ২৩২৩২-এর (CoS.23232) ২ লাখ একক কুঁড়ি অনলাইন বুকিং খোলার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। ৯ অক্টোবর ২০২৬ সকালে বুকিং খোলার পর অনেক কৃষক চেষ্টা করেও চারা পাননি।
শাহজাহানপুরের উত্তর প্রদেশ আখ গবেষণা পরিষদ সকাল ১০টায় রাজ্যের আখ বিভাগের পোর্টালে বুকিং চালু করে। এ বছরের ছোট বীজ কিটে দুটি জাতের একক কুঁড়ি দেওয়া হচ্ছে: সিওএস ২৩২৩২-এর ২ লাখ এবং সিওএস ১৯২৩১-এর ১ লাখ।
সিওএস ২৩২৩২ জাতটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে রাজ্যে চাষের জন্য ছাড়া হয়। জাত উদ্ভাবনে যুক্ত জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও প্রজননবিদ ড. অরবিন্দ কুমার জানান, এর অঙ্কুরোদ্গম ভালো, কুশি বেশি, মাড়াইযোগ্য আখ বেশি, ফলনের সম্ভাবনা বেশি এবং চিনির পরিমাণও বেশি। তাঁর আশা, রাজ্যে সবচেয়ে বেশি চাষ হওয়া কো ০২৩৮ জাতের ভালো বিকল্প হতে পারে এটি। পোকা ও রোগ প্রতিরোধেও তুলনামূলক ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে কৃষকের মাঠে এর ফলাফলই ঠিক করবে জাতটি কতটা ছড়াবে।
চারা দ্রুত কৃষকের হাতে পৌঁছাতে পরিষদ একক কুঁড়ি পদ্ধতি ও টিস্যু কালচারের মাধ্যমে বীজ বাড়াচ্ছে। পরিষদের পরিচালক অভিষেক আনন্দ বলেন, জাত ছাড়ার এক মাসের মধ্যেই চারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অক্টোবরে পরিষদের ‘মিঠাস মেলা ২০২৬’-এ নতুন জাতের আরও ছোট বীজ কিট বিতরণের কথা রয়েছে। তারিখসহ বিস্তারিত তথ্য প্রচার মাধ্যম ও এসএমএসে জানানো হবে, আর কৃষকদের পরিষদের দাপ্তরিক মাধ্যমে নজর রাখতে বলা হয়েছে।
এই হুড়োহুড়ি দেখাচ্ছে উন্নত আখের জাতের চাহিদা কত বেশি এবং মানসম্মত চারার সরবরাহ এখনো কত কম। দক্ষিণ এশিয়ার আখচাষিদের কাছে এই সংকট পরিচিত।
ছবি: Ravityagijiffy / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)