যুক্তরাষ্ট্রে আটটি প্রধান সারিফসলের আবাদি জমি আগামী এক দশকে ২.৪ শতাংশ কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএর দীর্ঘমেয়াদি কৃষি প্রক্ষেপণ।
ভুট্টা, সয়াবিন, গম, আপল্যান্ড তুলা, ওট, চাল, জোয়ার ও বার্লি—এই আটটি ফসল মিলিয়ে আবাদি জমি ২০২৬/২৭ বিপণনবর্ষের ২৪ কোটি ৭৬ লাখ একর থেকে কমে ২০৩৫/৩৬ সালে দাঁড়াবে ২৪ কোটি ১৬ লাখ একরে।
পূর্বাভাসে যে চিত্র উঠে এসেছে তা স্থিতিশীল থেকে কিছুটা নিম্নমুখী এক আবাদভিত্তি—এখনো ভুট্টা ও সয়াবিনের প্রাধান্যে, তবে সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ থেকে ধীরে নামতে থাকা। এর চালিকাশক্তি মুনাফার ব্যবধান: ফসলের দাম স্থিতিশীল থেকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী, উপকরণের দাম বাড়তি, আর দুইয়ের চাপ বজায়।
পতনের বড় অংশ বহন করছে ভুট্টা। ২০২৫/২৬ সালে ৯ কোটি ৮৮ লাখ একরে ওঠার পর ভুট্টার জমি ২০২৬/২৭ সালে নেমে দাঁড়াবে ৯ কোটি ৫০ লাখ একরে, আর ২০৩৫/৩৬ সালে ৯ কোটি ১০ লাখ একরে।
সয়াবিন প্রথমে যাচ্ছে উল্টো পথে। ২০২৬/২৭ সালে ফসলটির জমি বেড়ে দাঁড়াবে ৮ কোটি ৫০ লাখ একরে, যা ইতিহাসে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ; পরে তা নামবে ৮ কোটি ৩০ লাখ একরে।
গমের জমি পুরো সময়জুড়ে থাকবে অপরিবর্তিত ৪ কোটি ৪০ লাখ একরে—২০২৫/২৬ সালের ৪ কোটি ৫৩ লাখ একরের চেয়ে কম এবং ঐতিহাসিক মাত্রার তুলনায় অনেক নিচে।
সংখ্যাগুলোকে বাজারের সংকেত হিসেবে পড়ার আগে একটি পার্থক্য মনে রাখা দরকার। এগুলো ইউএসডিএর দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি-প্রক্ষেপণ, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘ইউএসডিএ অ্যাগ্রিকালচারাল প্রজেকশনস টু ২০৩৫’ নামে প্রকাশিত। ৩১ মার্চের প্রসপেক্টিভ প্ল্যান্টিংস প্রতিবেদন এর থেকে আলাদা, কারণ সেটি জরিপভিত্তিক এবং আসন্ন মৌসুমে চাষিরা কী আবাদ করতে চান তা-ই সেখানে লিপিবদ্ধ হয়। চার্টটি তৈরি করেছেন ব্রায়ান উইলিয়ামস, এরিক ডোলম্যান ও ম্যাথু মিলার।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)